Article By – সুনন্দা সেন

৬ আগস্ট,২০২৫ ট্রাম্প নয়াদিল্লির রাশিয়ান তেল ক্রয়ের অব্যাহত নিষেধাজ্ঞার শাস্তি হিসেবে ভারত থেকে আসা পণ্যের উপর অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক আরোপ করেন। এই আদেশের পর, ২৭শে আগস্ট থেকে ভারতীয় পণ্যের উপর মোট শুল্ক ৫০%- এ দাঁড়িয়েছে। কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড় পেলেও ভারত এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। কর্মকর্তারা এই পদক্ষেপগুলিকে “অন্যায্য এবং অযৌক্তিক” বলে অভিহিত করেছেন। উল্লেখ করে সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বলা হয় যে EU, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্যান্য প্রধান ক্রেতারা রাশিয়ান পণ্য আমদানি করে চলেছে।
এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অন্যতম বাণিজ্যিক দেশ হিসেবে অভিহিত করলেও আগস্টের আলোচনা না হওয়ার কারণে অন্য পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়েছে ভারত। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপ সত্ত্বেও, ভারত তার ক্রয় অব্যাহত রেখেছে। তথ্য অনুসারে, আগস্টের প্রথমার্ধে গড়ে প্রতিদিন ১.৮ মিলিয়ন ব্যারেল আমদানি হয়েছে। যা জুলাই মাসে রেকর্ড করা প্রতিদিনের ১.৬ মিলিয়ন ব্যারেল চেয়ে বেশি। একটি সরকারি সূত্র বলে, ভারত সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগের চেয়ে বেশি তেল কিনছে, কিন্তু এখনও রাশিয়ান তেলের ক্রয় অব্যাহত রেখেছে। তাদের মতে এই ক্রয়ের প্রবণতা হ্রাস করা সম্ভব নয়।
এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০% শুল্কের প্রভাব সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী যতীন প্রসাদ বলেন, অনুমান করা হচ্ছে যে ভারতের পণ্য রপ্তানির প্রায় ৪৮.২ বিলিয়ন ডলার শুল্ক আকর্ষন করবে। ১৯ আগস্ট লোকসভায় এক লিখিত জবাবে তিনি বলেন, সরকার দেশের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে ও এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি কৃষকশ্রমিক, উদ্যোক্তা, রপ্তানিকারক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং শিল্পের সকল বিভাগের কল্যান করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, যথাযথ রপ্তানি প্রচার এবং বাণিজ্য বৈচিত্র্যকরণ ব্যবস্থা সহ বাণিজ্যের উপর প্রভাব কমাতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।




