Article By – আস্তিক ঘোষ

বিরাট ঋণের দায়ে জর্জরিত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। আমেরিকার ঋণের পরিমাণ শুনলে আঁতকে উঠবেন! প্রায় 35 ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বাইডেনের দেশের ঋণ। এই পরিমাণ ঋণ দেশের জিডিপির প্রায় 127 শতাংশ। আমেরিকার জিডিপির পরিমাণ 28.6 ট্রিলিয়ন ডলার। আমেরিকার ঋণ গত এক বছরে 2.2 ট্রিলিয়ন ডলার বেড়েছে। একই সময়ের মধ্যে সে দেশটির অর্থনীতি 1.6 ট্রিলিয়ন ডলার বেড়েছে। 2024 সালের জুলাইয়ের তথ্য অনুসারে, আমেরিকার প্রতিটি নাগরিকের 1,04,507 ডলার ঋণ রয়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, আমেরিকাকে প্রতিদিন প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হচ্ছে সুদ পরিশোধে। আগামী দশকে দেশটির ঋণ 54 ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
বিশ্বে জিডিপিতে ঋণের কথা বললে, জাপান 252 শতাংশ নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে। অর্থাৎ জাপানের ঋণ তার জিডিপি থেকে 252 শতাংশ বেশি। এই তালিকায় সুদান 239 শতাংশ ঋণ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে, সিঙ্গাপুর 163 শতাংশ নিয়ে তৃতীয় স্থানে, গ্রিস 160 শতাংশ ঋণ নিয়ে চতুর্থ স্থানে, ইতালি 143 ঋণ নিয়ে পঞ্চমে এবং আমেরিকা ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। এর পরেই তালিকায় রয়েছে ভুটান (123 শতাংশ), বাহরাইন (119 শতাংশ), লাওস (118 শতাংশ) এবং মালদ্বীপ (112 শতাংশ)।
G-20 দেশগুলির কথা বললে, এই দেশগুলির প্রতিটি নাগরিকের গড় 23,617 ডলার ঋণ রয়েছে। এই তালিকায় সবার নীচে রয়েছে ভারত। ভারতে জনগণের মাথাপিছু ঋণ মাত্র 1,316 ডলার। আমেরিকা কোন দেশের কাছে সবচেয়ে বেশি ঋণী জানেন? বিভিন্ন দেশের কাছে 8.33 ট্রিলিয়ন ঋণ রয়েছে আমেরিকার। এই তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে জাপান। আমেরিকার কাছে 1.11 ট্রিলিয়ন ডলার পাওনা রয়েছেন সেদেশের বিনিয়োগকারীদের।
মার্কিন ঋণে 776.5 বিলিয়ন শেয়ার রয়েছে চিনা বিনিয়োগকারীদের। এছাড়াও তালিকায় রয়েছে যুক্তরাজ্য (728.3 বিলিয়ন ডলার), লুক্সেমবার্গ (399.9 বিলিয়ন ডলার), কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ (378.1 বিলিয়ন ডলার), কানাডা (377.7 বিলিয়ন ডলার), বেলজিয়াম (315.9 বিলিয়ন ডলার), আয়ারল্যান্ড (312.7 বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (290.9 বিলিয়ন ডলার) এবং সুইজারল্যান্ড (245 বিলিয়ন ডলার)।




