Article By – আস্তিক ঘোষ

আগামীকাল অর্থাৎ 18 ডিসেম্বর মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক, ফেড রিজার্ভের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে সুদের হার কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুদের হার কমানো নিশ্চিত। যুক্তরাষ্ট্রকে মুদ্রাস্ফীতি থেকে বের করে আনতে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ঘাটতির প্রভাব সোনার দামে দৃশ্যমান হতে পারে।
গত দেড় মাসে সোনার দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। আর সোনার দামের উত্থান-পতন চলছে গত কয়েকদিন ধরে। আগামীকাল বুধবার ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের আগে আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার সোনার দাম স্থিতিশীল রয়েছে। MCX-এ দুপুর 2:30 টায় সোনার দাম 86 টাকা কমে প্রতি 10 গ্রাম 76975 টাকা হয়েছে। যদিও এর আগে কিছুটা বৃদ্ধিও দেখা গিয়েছিল।
ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমালে সোনার দাম বাড়বে। যখনই ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমায়, তখনই সোনার দাম বেড়ে যায়। কারণ কম সুদের হারের কারণে বিনিয়োগকারীরা স্টক মার্কেট, সরকারি বন্ড এবং অন্য স্কিমে বিনিয়োগ করা বন্ধ করে দেয়। কারণ সেগুলোতে বিনিয়োগ করে তারা তেমন সুদ পান না।
শুধু আমেরিকা নয়, চিনও সোনার দাম বাড়ার বড় কারণ হয়ে উঠছে। সম্প্রতি চিন সোনা মজুত করতে শুরু করেছে। চিনের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক, পিপলস ব্যাঙ্ক অফ চায়না (PBOC) নভেম্বরে সোনা কেনা আবার শুরু করেছে। এর আগের 6 মাসে চিন সোনা ক্রয় বন্ধ রেখেছিল। এর ফলে আগামী জুলাইতে সোনার দাম 90 হাজার টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।




