Article By – সুনন্দা সেন

গত কয়েক বছরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তবুও বাণিজ্য ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে আশা করা হচ্ছে, একপাক্ষিক ভাবে। জানা যাচ্ছে যে ইসলামাবাদ ভারত থেকে পণ্য কিনছে, কিন্তু ভারত পাকিস্তানের পণ্য ক্রয়ে আগ্রহী নয়। পাকিস্তানের এক জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে শেষ হওয়া আর্থিক বছরে ভারত থেকে আমদানি বেড়ে ২২০.৫৮ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। যা তার আগের বছরে (২০২৩-২৪ সালে) ২২০.৫৮ বিলিয়ন ডলার ছিল। অবশ্য ভারতের পেহেলগাওয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত সরকার সমস্ত বাণিজ্য কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
পাকিস্তান চীন ও ভারতের মতো দেশগুলির আমদানির উপর নির্ভরশীল। এমনিও দেশগুলি রপ্তানির কার্যক্রম প্রায় ভঙ্গুর। এই অবস্থায় জানা যাচ্ছে যে স্টেট ব্যাংক অফ পাকিস্তানের তথ্য অনুসারে, ভারত থেকে আমদানি ৬.৬২% বৃদ্ধি পেয়ে ২০৬.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছিল। এদিকে ২০২৩-২৪ সালে ভারতে পাকিস্তানের রপ্তানি ১.৪৩ মিলিয়ন ডলারে স্থির থাকলেও, ২০২৪-২৫ সালে এই রপ্তানির হার ক্রমবর্ধমানে হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে তো কোনো রপ্তানির হিসাব লক্ষ্য করা যায়নি। পরিসংখ্যান দেখায় যে চলতি অর্থবছরে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সামগ্রিক বাণিজ্য একপাক্ষিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়া আরও জানা যাচ্ছে যে ভারত, চীন এবং বাংলাদেশের মতো দেশগুলি থেকে আমদানি বৃদ্ধির কারণে পাকিস্তানের বাণিজ্য ঘাটতি আরও বেড়েছে। যদিও আফগানিস্থান এবং শ্রীলঙকার মতো দেশগুলিতে রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি মার্কেট, বিশেষ করে ভারত এবং চীনে রপ্তানি হ্রাস অব্যাহত রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুসারে, নয়টি প্রতিবেশী দেশ তথা – আফগানিস্তান, চীন, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভারত, ইরান, নেপাল, ভুটান এবং মালদ্বীপে মোট রপ্তানি মাত্র ১.৪৯% বেড়ে ৪.৪০১ বিলিয়ন ডলার দাঁড়িয়েছে। যেখানে এই দেশগুলিতে থেকে পাকিস্তানে আমদানি ২০.৬৬% বেড়ে ১৬.৬৯৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। কূটনৈতিক কারণে দেশটির রপ্তানি হ্রাস পাচ্ছে।




