Article By – সুনন্দা সেন

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট তাদের অর্ধবার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রা (Foreign Exchange) নীতির পর্যালোচনার পরিধি আরও বিস্তৃত করেছে। এবার থেকে শুধু কোনো দেশ নিজেদের মুদ্রার অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি (Appreciation) ঠেকাতে হস্তক্ষেপ করছে কিনা সেই নিয়ে নয়, বরং মুদ্রার অতিরিক্ত পতন রোধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেটি ও মূল্যায়নের আওতায় আনা হয়েছে। তবে এই পরিবর্তনের পরও ভারতকে কারেন্সি মনিটারিং বা ‘ওয়াচ লিস্ট’-এ রাখা হয়নি।
মার্কিন ট্রেজারির মূল্যায়ন অনুযায়ী, ভারত উন্নত নজরদারির জন্য নির্ধারিত তিনটি আইনি মানদন্ডের মধ্যে মাত্র একটি পূরণ করেছে। যার ফলে ভারতের বিরুদ্ধে বাড়তি পর্যবেক্ষনের প্রয়োজন নেই বলে তারা মনে করেছে। বর্তমানে মার্কিন ট্রেজারির মনিটরিং তালিকায় রয়েছে চীন, জাপান, সাউথ কোরিয়া, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাঁপুর এবং সুইজারল্যান্ড। তবে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাঁপুর ও সুইজারল্যান্ড এখন মাত্র একটি মানদন্ড পূরণ করছে। তাই পরবর্তী পর্যালোচনায় এই অবস্থাই বজায় থাকলে তারা তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে।
এই সিদ্ধান্ত ভারতের জন্য ইতিবাচক বার্তা। কারেন্সি ওয়াচ লিস্টের বাইরে থাকা মানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আস্থার সংকেত যায়। পাশাপাশি ভারত-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এটি একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যে বৈদেশিক মুদ্রা নীতির ওপর নজরদারির পরিধি বাড়িয়েছে, তার অর্থ ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মুদ্রা বাজারে হস্তক্ষেপ আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।




