Article By – আস্তিক ঘোষ

বর্তমানে চরম খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তান। সেদেশের অর্থনীতি এমনিতেই ধ্বংসের মুখে। এখন আবার ইন্টারনেট সংকট পূর্বের তুলনায় আরোও তীব্রতর হয়েছে। পাকিস্তানে ইন্টারনেট বন্ধের কারণে 300 মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় 2516 কোটি টাকা) ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে পাকিস্তানের আইটি সেক্টর। এর পরিপ্রেক্ষিতে সারাদেশে ফায়ারওয়াল বসানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে এই ফায়ারওয়ালের কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সফটওয়্যার হাউস অ্যাসোসিয়েশন (পিএসএইচএ)। মনে করা হচ্ছে, সরকারের এই উদ্যোগ ডেটা সুরক্ষা এবং ইন্টারনেট গতিকে প্রভাবিত করতে পারে। পিএসএইচএর ভাইস চেয়ারম্যান খুররম রাহাত বলেন, সাম্প্রতিক ইন্টারনেট সমস্যার কারণে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আনুমানিক 300 মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।
ফায়ারওয়ালের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করেছেন সাংবাদিক হামিদ মীর। তিনি বলছেন, এতে ইন্টারনেটের গতি কমে যাবে। নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত তরুণদের ওপর। এই আবেদনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইটি সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ) এবং মানবাধিকার মন্ত্রণালয়কে বিবাদী করা হয়েছে। এতে ফায়ারওয়ালের প্রভাব এবং ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে এই সকল কর্মকর্তাদের কাছ থেকে।
সিনেটর আফনান উল্লাহ খান বলেন, ইন্টারনেট বন্ধের কারণে অনেক ফ্রিল্যান্সার এবং ডিজিটাল এজেন্সি ইতিমধ্যেই 50 কোটি ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে পাকিস্তানের অর্থনীতিতে। বৃহস্পতিবার ব্যবহারকারীরা হোয়াটসঅ্যাপ সহ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি অ্যাক্সেস করতে গিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার অভিযোগ করেছেন। ইতিপূর্বে পিএমএল-এন সিনেটর আফনান উল্লাহ খান সতর্ক করেছিলেন, এই অমীমাংসিত ইন্টারনেট বাধা পাকিস্তানের ইতিমধ্যেই সংগ্রামরত অর্থনীতিকে আরও খারাপ করতে পারে। ব্যাপক হারে হ্রাস পেতে পারে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের রপ্তানি।





