Article By – সুনন্দা সেন

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ২০২৫ সালের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করা হবে। পাশাপশি ভারত সরকার পশ্চিমা মিত্র দেশগুলির সাথে একটি লাভজনক বাণিজ্য চুক্তি করার চেষ্টা করছে। একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের বাণিজ্য বাস্কেটের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে ভারতের রপ্তানিকৃত পণ্য এবং আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে যা আমদানি করি তার থেকে অনেক আলাদা। তাই এটি উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।” এদিকে একজন ভারতীয় কর্মকর্তা বলেছেন যে এই চুক্তির ফলে উভয় দেশের আমদানি শুল্ক হ্রাস পাবে। যা পারস্পরিক শুল্কের প্রভাব কমাতে সাহায্য করবে।
ভারতীয় কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন যে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে ট্রাম্পের উদ্বেগ দূর করতে ভারত আমেরিকান তেল, গ্যাস এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি বাড়ানোর চেষ্টা করবে। হার্লে ডেভিডসন বাইক, বোরবন হুইস্কি এবং ক্যালিফোর্নিয়ান ওয়াইনের মতো মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা পছন্দের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপের বিষয়ে কিছু উদ্বেগ, গত দুই সপ্তাহ ধরে আমদানি শুল্ক হ্রাসের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। সাথে হোয়াইট হাউসে তাদের বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে উভয় নেতাই উন্নয়নের বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেন। ভারতের পেকান বাদাম এবং অন্যান্য কৃষিপণ্য আমদানি উপর শুল্ক হ্রাস করা যেতে পারে, তবে তা কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নয় যেকোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নরেন্দ্র মোদীর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “উভয় পক্ষই ভারতে মার্কিন শিল্প পণ্য রপ্তানি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় শ্রম-নিবিড় উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আর কৃষি পণ্যের বাণিজ্য বৃদ্ধিতে উভয় পক্ষ একসাথে কাজ করবে।” অবশ্য ভারতের আরেকটি আগ্রহের ক্ষেত্র হল পরিষেবা। তবে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে, তাতে এটি অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। ভারত টেক্সটাইল এবং চামড়ার মতো পণ্যও আমদানিতে জোর দেবে। যার মধ্যে কিছু পণ্যের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৪০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়।




