Article By – সুনন্দা সেন

কোভিড ১৯-এর পর এই প্রথম বিশ্ব বাণিজ্য এবং গ্লোবাল মার্কেটে নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আর এই প্রভাবে কারণ হল মার্কিন প্রেসিডেন্টের ২এপ্রিল থেকে শুল্ক আরোপের ঘোষণা। বিশ্ব বাণিজ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও রয়েছে সেই সাথে। জানা যাচ্ছে যে মার্কিন টেক বিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক, মার্ক জুকারবার্গ এবং জেফ বেজোসের সম্মিলিতভাবে ৪২.৬ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন ফেসবুক তথা মেটার CEO জুকারবার্গ। তাছাড়া ২০২৫ সালে মাস্কের মোট লোকসান এই পর্যন্ত ১১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। যা মূলত শুল্ক এবং অন্যান্য বাজারের কারণগুলির জন্য।
তবে নতুন সপ্তাহে দ্বিতীয় দিনে শুধু জুকারবার্গ ১৭.৯ বিলিয়ন ডলার, ইলন মাস্ক ৮.৭ বিলিয়ন ডলার এবং বেজোস ১৬ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ হারিয়েছেন। ব্লুমবার্গ বিলিয়েনার ইন্ডেক্স অনুসারে, ৪.৪ বিলিয়ন ডলার সম্পদ হারানোর পর ৭এপ্রিল মাস্ক বিশ্বের ষষ্ঠতম শীর্ষ সম্পদ হারানো ব্যক্তি হয়ে উঠেছেন। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২৯৭.৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। আর এর অন্যতম কারণ হল টেসলার শেয়ারের ক্রমাগত দর পতন। এছাড়া নভেম্বর, ২০২৪-এর পর প্রথমবারের জন্য মাস্কের সম্পদ ৩০০ বিলিয়ন ডলারের নীচে নেমেছে। শুধু এই টুকুই নয়, জানা যাচ্ছে মাস্ক ২০২৫-এর এই পর্যন্ত ১৩৪.৭ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন।
আর্থিক অস্থিরতা হাইলাইট করছে মার্কেট ভোলাটিলিটি (বাজার অস্থিরতা) এবং শুল্কের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাড়তে থাকা অস্থিরতা। বিশ্লেষকরা বাজারের এই অস্থিরতাকে কেবল প্রযুক্তিগত সংশোধন নয় বলে জানিয়েছে। এছাড়া তথ্য জানাচ্ছে যে, শীর্ষ ৫০০টি পাবলিক কোম্পানির সম্মিলিত ভাবে প্রায় ২.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। যেখানে মেটা, অ্যামাজন এবং টেসলার মতো বৃহৎ টেক জায়ান্টদের শেয়ার সর্বোচ্চ হ্রাস পেয়েছে। তথ্যানুযায়ী, মেটার শেয়ার ৯%, অ্যামাজনের শেয়ার ৬% এবং টেসলার শেয়ার ৫.৫% পতনের সম্মুখীন হয়েছে।




