Article By – আস্তিক ঘোষ

ভারতে মানুষের আয় যেমন বাড়ছে, তেমনি তাদের জীবনযাত্রারও পরিবর্তন হচ্ছে। যে কারণে এখান দ্রুত বাড়ছে হিরের বাজার। আগামী পাঁচ বছরে এর বাজার আরও বাড়বে এবং দ্বিগুণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের সমস্যা হল তারা আসল ও নকল হিরের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারছে না। অনেক সময় গ্রাহকদের আসল হিরের নামে কৃত্রিম হিরে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
তবে শীঘ্রই এমন কিছু ঘটতে চলেছে, যার মাধ্যমে আপনি সহজেই আসল এবং নকল হিরে সনাক্ত করতে সক্ষম হবেন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক হিরে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ডি বিয়ার্সের ভারতের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অমিত প্রতিহারি বলছেন, সরকারের সহযোগিতায় এই বিষয় কাজ চলছে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের অধীনে কাজ করা জেমস অ্যান্ড জুয়েলারি এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল (GJEPC) এই কাজে সক্রিয়।
এটা সম্ভব যে হিরেতেও সার্টিফিকেশনের কিছু ব্যবস্থা আনা হতে পারে। সরকার সোনার গহনায় যেমন হলমার্কিং ব্যবস্থা চালু করেছে। ঠিক সেরকমই কিছু হিরের ক্ষেত্রেও দেখা যেতে পারে। এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে গ্রাহকরা নিশ্চিন্তে হিরে কিনতে পারবেন। আসল বা সিনথেটিক হিরে নিয়ে চিন্তার দিন শেষ হবে।
অমিত প্রতিহারী বলেন, বর্তমানে প্রাকৃতিক হিরে এবং ল্যাবে তৈরী ডায়মন্ড বা সিন্থেটিক হিরের মধ্যে পার্থক্য বোঝা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। এটি পরীক্ষা করার জন্য উন্নত মেশিনের প্রয়োজন। এই ধরণের মেশিনে, রঙ এবং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে হিরেকে গ্রেড করা হয়। তিনি বলেন যে আপনি যদি কোনও বিখ্যাত ব্র্যান্ড থেকে হিরে কিনে থাকেন তবে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা কম।




