Article By – সুনন্দা সেন

উৎসবের মরশুমের আগে দেশে চিনির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। ১০ লক্ষ মেট্রিক টন কাঁচা চিনি আমদানির যে কোটা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছিল, তার বাকি অংশের জন্য এবার নতুন করে আবেদন চেয়েছে সরকার। আর এই চিনি আমদানি করা যাবে শুল্কমুক্ত (duty-free) ব্যবস্থায়। গত মাসে সরকার মোট ১০ লক্ষ মেট্রিক টন কাঁচা চিনি আমদানির অনুমতি দিয়েছিল। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই ৭,৯৭,৪৫০ টনের আবেদন গ্রহণ ও বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। ফলে এখন বাকি রয়েছে ২,০২,৫৫০ টন। এই বরাদ্দের জন্য যোগ্য চিনি মিল ও রিফাইনাররা আবেদন করতে পারবেন।
পাশাপশি জানা যাচ্ছে যে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য আসন্ন উৎসবের মরশুমে চিনির বাড়তি চাহিদা মেটানো। দুর্গাপুজো, দীপাবলি-সহ বিভিন্ন উৎসবের সময় মিষ্টি তৈরিতে চিনির ব্যবহার বাড়ে। তাই আগেভাগেই আমদানি বাড়িয়ে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে চাইছে সরকার। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত ১০ লক্ষ টনের এই আমদানি-কোটা ৩১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ উৎসবের সময় বাজারে চিনির জোগান স্থিতিশীল রাখা এবং দামের ওপর চাপ কমানোই এই সিদ্ধান্তের অন্যতম উদ্দেশ্য।
কাঁচা চিনি (Raw sugar) আমদানির কোটা বাড়ানোর ফলে বাজারে চিনির সরবরাহ বাড়তে পারে। বিশেষ করে দুর্গাপুজো, দীপাবলি ও অন্যান্য উৎসবের সময় মিষ্টি ও খাবারে চিনির চাহিদা বাড়লেও পর্যাপ্ত জোগান থাকলে চিনির দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার চাপ কমতে পারে। এর ফলে সাধারণ পরিবার থেকে শুরু করে মিষ্টির দোকান ও ছোট খাদ্য ব্যবসা (Small food businesses)-গুলিও কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম, আমদানি খরচ এবং দেশীয় উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে খুচরো বাজারে এর প্রকৃত প্রভাব কতটা পড়বে, তা নির্ভর করবে।




