Article By – সুনন্দা সেন

সংসদে পেশ করা তথ্য অনুসারে, এই বছর (২০২৪ সাল)- এর ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রসারিত উৎসবের সময়কালে ভারতীয় রেল টিকিট বিক্রি থেকে ১২,১৫৯ কোটি টাকা আয় করেছে। গত দুই মাস গণেশ চতুর্থী, দশেরা এবং দীপাবলির মতো নানান উৎসব দ্বারা চিহ্নিত ছিল। যা সাধারণত রেলপথে ভ্রমণকারী যাত্রীদের সংখ্যার উত্থানের সাক্ষী হয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব লোকসভায় উৎসবের সময়ের তথ্য তুলে ধরেছেন। আর টিকিট বিক্রি থেকে আয়ের অঞ্চলভিত্তিক ডেটা ভাগ করে নিয়েছেন। জানা যাচ্ছে যাতায়াতের জন্য ১৪৩.৭১ কোটি যাত্রী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে রেলপথ ব্যবহার করেছেন।
অশ্বিনী বৈষ্ণবের বিবৃতিতে দেখা গেছে যে সর্বোচ্চ ৩১.৬৩ কোটি যাত্রীকে সেন্ট্রাল জোনে রেকর্ড করা হয়েছে। তালিকায় পশ্চিমাঞ্চল ২৬.১৩ কোটি যাত্রী নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এবং পূর্বাঞ্চল ২৪.৬৭ কোটি যাত্রী নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব কেন্দ্রীয় অঞ্চলে সর্বনিম্ন যাত্রী সংখ্যা ১.৪৮ কোটি রেকর্ড করা হয়েছে। রেলওয়ে ১ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে উৎসবের মরসুমের ভিড় মেটাতে ৭,৬৬৩টি অতিরিক্ত বিশেষ ট্রেন পরিষেবা চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। যেখানে গত বছর ৪,৪২৯টি অতিরিক্ত ট্রেন ট্রিপ চালানো হয়েছিল। অর্থাৎ ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরে ৭৩% অতিরিক্ত ট্রেন চলেছে।
২৪ অক্টোবর,২০২৪ থেকে ৩ নভেম্বর,২০২৪ পর্যন্ত দীপাবলি এবং ছট উদযাপনের সময় ৯৫৭.২৪ লক্ষ শহরতলীর নন এমন যাত্রী পরিবহন করেছে। যেখানে গত বছরের একই সময়ে ৯২৩.৩৩ লক্ষ যাত্রীর যাতায়াত করেছিলেন। অর্থাৎ রেল পথে এই সময় ৩৩.৯১ লক্ষ যাত্রীর বৃদ্ধির প্রতিনিধিত্ব করছে। শুধুমাত্র ৪ নভেম্বরেই, ১.২ কোটিরও বেশি যাত্রী ভারতীয় রেলওয়ে পরিষেবাগুলি ব্যবহার করেছেন। যার মধ্যে ১৯.৪৩ লক্ষ সংরক্ষিত এবং ১.০১ কোটিরও বেশি অসংরক্ষিত শহরতলীর নন এমন যাত্রী রয়েছেন। যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ এক দিনের যাত্রী সংখ্যা চিহ্নিত করে৷
এই মাসের শুরুর দিকে জারি করা রেলওয়ে বোর্ডের বিবৃতি অনুসারে, যাত্রীদের সংখ্যা বাড়ার জন্য ৩ নভেম্বর এবং ৪ নভেম্বর ২০৩টি অতিরিক্ত বিশেষ ট্রেনের পরিষেবা বাড়ানো হয়েছিলো। যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে উচ্চ স্তরের অর্থনৈতিক কার্যকলাপেরও প্রদর্শন দেখায়। কারণ এটি আরও দেখায় যে বিপুল সংখ্যক মানুষ চাকরির জন্য গ্রাম থেকে শহরে স্থানান্তরিত হয়েছে এবং ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে তাদের জন্মস্থানে ফিরেছেন ছুটি কাটাতে।




