Article By – সুনন্দা সেন

ভারতীয় পাটকলগুলি টেক্সটাইল (Textiles) মন্ত্রকের নতুন অনুমোদিত মূল্য কাঠামোর অধীনে খাদ্যশস্যের প্যাকেজিংয়ের কাজে পাটের ব্যাগ সরবরাহের জন্য ৮.১৯% ‘মূলধন রিটার্ন’ অর্জন করবে। এটি বোঝায় মিলগুলি ইনপুট খরচে বাজারের ওঠানামার নির্বিশেষে বিনিয়োগকৃত মূলধনের উপর পূর্বনির্ধারিত মুনাফার শতাংশ অর্জন করবে। ইন্ডিয়ান জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের মতে, নতুন মূল্য নির্ধারনের সূত্রের ফলে জুটের বস্তা (Gunny suck) সরবরাহের দামে মাত্র ৪% থেকে ৫% বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাবে। অন্যদিকে পাটকমিশনারের কার্যালয় ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ অনুসরণ করে নতুন মূল্য নীতিতে করা অন্যান্য পরিবর্তন বিবেচনা করে মূল্য নির্ধারণের সুবিধা ৬%-৮% অনুমান করে।
নতুন মূল্য নির্ধারনের সূত্রটি সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে আগের নীতি ও নিয়ম পর্যবেক্ষণের সাথে প্রয়োগ করা হবে। পাট কমিশনার (Jute commissioner) মলয় চন্দন চক্রবর্তী PTI-কে বলেছেন, মিলগুলিতে বর্তমান মূল্য সংশোধন থেকে সুবিধার প্রভাবে মূল্য নির্ধারনের সমস্ত দিক বিবেচনায় রেখে জুনের ব্যাগ বা বস্তার দাম বৃদ্ধি ৬%-৮%-এর মধ্যে হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। মূলধনের রিটার্নের নতুন কাঠামোর অধীনে ৮.১৯%-এর একটি সংশোধিত নিয়মে স্থানান্তরিত হয়েছে। অর্থাৎ রিটার্ন নীতিতে যা কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে, তার সবগুলোই মিলের পক্ষে। এছাড়া সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের অর্থাৎ কৃষক থেকে শুরু করে মিলের কর্মচারীরা সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভবিষ্যতে পাটজাত পণ্যে মূল্য প্রতি টনে ১,১৫,০০০ টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকায় উন্নীত করার লক্ষ্যে রয়েছে দেশ।
ইন্ডিয়ান জুন মিলস অ্যাসোসিয়েশনের রাঘবেন্দ্র গুপ্ত বলেন, দামের গতীশীলতা পরিবর্তনশীল। এটি কাঁচা পাটের দাম সহ বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে বলে। তিনি এও বলেন যে মূল্য সংস্কারের ফলে মিলগুলি ৪% থেকে ৫%-এর মধ্যে উপকৃত হবে। কেন্দ্রীয় টেক্সস্টাইল মন্ত্রী গিরিরাজ সিং সাম্প্রতিক কলকাতা সফরে বলেছে, নতুন মূল্য পাট চাষী সহ অন্যান্য স্টেক হোল্ডারদেরও উপকৃত করবে। তিনি আরও জানান যে পশ্চিমবঙ্গে পাট চাষীর সংখ্যা ৪০ লাখ এবং ৪ লাখের কাছাকাছি কর্মচারী জুট মিলে কাজ করে। সাথে জানিয়েছেন যে ২০২৫ সালে পাটজাত পণ্যের বিক্রি ১৪,০০০ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।




