কথায় বলে, বিষয় না বিষ! আসলে বিশ্বের বেশিরভাগ সংঘাতের মূলে রয়েছে জমি জায়গা বা বিষয় সম্পত্তি। তাছাড়াও, জমি (Land) ক্রয়-বিক্রয়ে প্রতারণার খবরও প্রায় উঠে আসে সংবাদ শিরোনামে। অনেক সময় একই প্লট বেশ কয়েকজনের কাছে বিক্রি করা হয়। এবার এই ধরনের বেআইনি কারবার রুখে দিতে পাকাপোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করলো কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবার পেশ করা বাজেটে গ্রামীণ এলাকায় সমস্ত প্লটের জন্য ‘ভু-আধার’ নম্বর দেওয়ার ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
সূত্রের খবর, এই ভূ-আধার আসলে আধারের মতো একটি শনাক্তকরণ নম্বর হিসেবে কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি,শহরাঞ্চলে জমির (Land) রেকর্ড ডিজিটাইজ করার পরিকল্পনা রয়েছে 2027 সালের মধ্যেই। এই সংস্কারের গতি বাড়াতে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে আর্থিক সাহায্য করবে বলে জানানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপ গ্রামীণ এলাকায় ঋণ প্রবাহ এবং কৃষি পরিষেবা সম্পর্কিত অন্যান্য সুবিধাগুলিকেও সহজলভ্য করে তুলবে৷ শুধু তাই নয়, গ্রাম ও শহরে জমি (Land) ক্রয়-বিক্রয়ে জালিয়াতি রুখতে এবং সম্পত্তি কর আদায়ের ক্ষেত্রেও সহায়তা করবে।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন তাঁর বাজেট বক্তৃতায় জানান, গ্রামীণ এবং শহুরে উভয় ক্ষেত্রেই জমি সংক্রান্ত সংস্কার এবং কাজের সুযোগ, ভূমি প্রশাসন, পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে যথাযথ আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে আগামী তিন বছরের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে হবে। গ্রামীণ এলাকায় জমি সংক্রান্ত কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, সমস্ত জমির পার্সেলের জন্য ইউনিক ল্যান্ড পার্সেল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ULPIN) বা ভূ-আধার প্রদান, বর্তমান মালিকানা অনুসারে ভূমি সম্পর্কিত মানচিত্রগুলির ডিজিটাইজেশন, মানচিত্র উপ-বিভাগ অন্তর্ভুক্ত জরিপ, জমি রেজিস্ট্রি স্থাপন এবং কৃষকদের রেজিস্ট্রির সাথে লিঙ্ক করা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শহুরে এলাকায় জিআইএস ম্যাপিংয়ের পাশাপাশি জমির রেকর্ড ডিজিটাল করা হবে।
Article By – আস্তিক ঘোষ






