Article By – সুনন্দা সেন

কেন্দ্রীয় সরকার এপ্রিল থেকে জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যগুলিকে সুদমুক্ত ঋণ হিসেবে আনুমানিক ১.১১ কোটি টাকা বিতরণ করেছে। PTI-এর একটি প্রতিবেদনে বিস্তারিত ভাবে বলা হয়েছে, এই অর্থ রাজ্যগুলিকে মূলধন ব্যয়ের জন্য বিশেষ সহায়তা প্রকল্পের অধীনে বিতরণ করা হয়েছে। অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী রাজ্য পর্যায়ের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের লক্ষ্য এবং প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে এই তথ্য ভাগ করে নিয়েছেন। PTI প্রতিবেদনে আরও বিশদভাবে বলা হয়েছে যে, প্রাথমিক লক্ষ্য হল নাগরিক কেন্দ্রিক সংস্কার প্রচার করা এবং একটি সামগ্রিক পরিবর্তন আনা।
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন তার ২০২৪-২৫ বাজেটে এই সুদমুক্ত ঋণের বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে ১.৫০ লক্ষ কোটি টাকা করেছেন। যা আগের অর্থবছরে বিতরণ করা ১.১০ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেশি। এই বৃদ্ধি রাজ্য সরকারগুলিকে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলিতে আরও বিনিয়োগ করতে এবং সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার লক্ষ্য সুনির্দিষ্ট সংস্কারগুলি অনুসরণ করতে উৎসাহিত করে। এই প্রকল্পটি মূলত দুটি ভাগে পরিচালিত হয়। প্রথম ভাগে ৫৫,০০০ কোটি টাকা অবাধ তহবিল হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে। আর জানা যাচ্ছে যে রাজ্যগুলি তাদের নির্দিষ্ট চাহিদা, অগ্রাধিকার এবং বৃদ্ধি ভিত্তিক চাহিদা অনুসারে তহবিল ব্যবহারের নমনীয়তা পায়।
এখন দ্বিতীয় অংশের অধীনে অবশিষ্ট ৯৫,০০০ কোটি টাকা কেন্দ্রিক উদ্যোগের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নাগরিক কেন্দ্রিক সংস্কার এবং সেক্টর-নির্দিষ্ট প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে কিছু প্রধান উদাহরণ হল বিশ্বব্যাপী আইকনিক পর্যটন কেন্দ্রগুলির উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা সহ একাধিক গুরুত্বপুর্ন ক্ষেত্রের উন্নয়ন। সুবিধাভোগী রাজ্যগুলির মধ্যে রয়েছে বিহার (১১,৫২২ কোটি টাকা), উত্তরপ্রদেশ (১০,৭৯৫ কোটি টাকা), মধ্যপ্রদেশ (১০,১৬৬ কোটি টাকা) এবং তারপরে পশ্চিমবঙ্গ (৯,৭২৯ কোটি টাকা)। এই রাজ্যগুলি মূলধন ব্যয় বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তা কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়েছে।




