Article By – সুনন্দা সেন

ভারতে প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম সাময়িকভাবে বাড়ানোর কথা ভাবছে কেন্দ্র সরকার। সূত্রের খবর, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে কিছুটা স্বস্তি দিতে ১০% থেকে ২০% পর্যন্ত দাম বাড়ানোর অনুমতি দেওয়া হতে পারে। অবশ্য এই মূল্যবৃদ্ধি স্থায়ী নয়, সরকার এটিকে অস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করছে। সম্ভাব্যভাবে ৩ থেকে ৪ মাসের জন্য এই ছাড় দেওয়া হতে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার আগের দামে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে সংঘাত ওষুধ তৈরির জন্য দরকারি কাঁচামালের সরবরাহে বড় ধাক্কা দিয়েছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক উপাদান ও সলভেন্টের দাম বেড়ে গেছে। ফলে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে ফার্মা সংস্থাগুলি। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে মূলত সেই সব ওষুধের ওপর প্রভাব পড়বে, যেগুলি সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে—যেমন অ্যান্টিবায়োটিক, ইনজেকশন, ক্যান্সারের ওষুধ ইত্যাদি।
তবে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবরও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোম্পানি স্তরে ১০–২০% দাম বাড়লেও, খুচরো বাজারে তার প্রভাব প্রথমে তুলনামূলক কম—প্রায় ৩% থেকে ৫%- এর মতো হতে পারে। সরকার একদিকে যেমন ওষুধ প্রস্তুতকারকদের সমস্যার সমাধান করতে চাইছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপও কম রাখতে চাইছে। তাই এই সিদ্ধান্তে একটি ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই স্বাভাবিক নিয়মে প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম খুব সামান্য; প্রায় ১%- এরও কম বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন, তাই এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।




