Article By – সুনন্দা সেন

ভারতে সোনার দাম প্রথমবারের মতো প্রতি ১০ গ্রামে ৭৬,০০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। গুড রিটার্নস ডেটা অনুসারে, দিল্লি, জয়পুর, লখনউ এবং চন্ডীগড়ের মতো বড় শহরগুলিতে এই বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। জানা যাচ্ছে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার হ্রাস এবং উচ্চতর ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কারণগুলির দ্বারা সোনার দামের উপর প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমন অবস্থায় প্রশ্ন হল এই বৃদ্ধির হার কি অব্যাহত থাকবে? আর এমন অবস্থায় বিনিয়োগ বিবেচনা কী হওয়া উচিত? প্রথমে আলোচনা করবো বিশ্বব্যাপী সোনার দামের প্রভাবের বিষয়।
আন্তর্জাতিক ফ্রন্টে স্পষ্ট গোল্ড ০.২% বেড়ে ২,৬২৮.২৮ ডলার প্রতি আউন্সে পৌঁছেছে। যা সেশনের শুরুতে আউন্স প্রতি ২,৬৩০.৯৩ ডলার সর্বকালের সর্বোচ্চ দামের সমান। ২০১০ সালের পর ২০২৪ সালে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পয়েছে Non-yielding গোল্ড বা অ-ফলনশীল সোনা। চলতি বছরে এই ধরণের সোনার দাম ২৭%-এর বেশি বেড়েছে। আর এই উর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে প্রতিফলিত করছে US গোল্ড ফিউচার। যা প্রতি আউন্সে ০.৩% বেড়ে ২,৬৫৩ ডলার হয়েছে। সুদের হার কমে যাওয়ায় সোনার অ্যাক্সেস বেড়েছে। সাথে বিনিয়োগকারীদের সোনার প্রতি পছন্দ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা দেখে আশা করা যায় চাহিদা বাড়ার সাথে হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।
বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সময়টি সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ উভয় উপস্থাপন করে। অ্যাঞ্জেল ওয়ান লিমিটেডের DVP রিসার্চ প্রথমমেশ মালিয় উল্লেখ করেছে যে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে সোনার দাম দূরন্ত গতীতে বৃদ্ধি পাবে। এমন অবস্থায় সোনার দিকে নজর রাখা ভালো। আর বিনিয়োগ করার সময় বিনিয়োগকারীদের এই বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করা দরকার। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে এই অস্থিরতার বিরুদ্ধে যে সকল বিনিয়োগকারীরা হেজ করতে যারা চান, তাদের জন্য সোনা একটি ক্রমবর্ধমান আকর্ষনীয় বিনিয়োগ বিকল্প।
[ মনে রাখবেন আমাদের উদ্দেশ্য হল আপনাদের কাছে শেয়ার বাজার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংক্রান্ত সঠিক তথ্য বাংলা ভাষায় তুলে ধরা। এছাড়া অবশ্যই জানিয়ে রাখা ভালো যে, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকি থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করা দরকার। Buzy With Info কখন কোনো স্টকে, বন্ডে ও ফান্ডে বিনিয়োগের পরামর্শ দেয় না। কেবল জ্ঞান বৃদ্ধি ও শিক্ষার জন্য বাজার সম্পর্কিত খবর প্রকাশ করা আমাদের লক্ষ্য।]




