Article By – সুনন্দা সেন

২০২৩ সালের ডিসেম্বরের পর নয় মাসে এই প্রথম আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম সর্বনিম্ন স্তরে নেমেছে। যা ভারতের জন্য একটি স্বস্তির খবর। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৭০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। জানা যাচ্ছে WTI ক্রড অয়েলের প্রতি ব্যারেল ৬৯.৬৮ ডলারে লেনদেন করছে। পাশাপাশি, ব্রেন্ট ক্রড অয়েলের প্রতি ব্যারেল ৭৩ ডলারে লেনদেন করছে।
ভারত তার প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের ৮০%- এর বেশি বিদেশ থেকে আমদানি করায় অনেকটা লাভজনক অবস্থায় রয়েছে। বিশেষভাবে সরকারি তেল কোম্পানিগুলি ব্যাপকভাবে লাভবান হতে চলেছে। পাশাপাশি আরও জানা যাচ্ছে যে তেল কোম্পানিগুলি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শক্তিশালী মুনাফা অর্জন করতে সমর্থ হবে।
রিপোর্ট বলছে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের চাহিদা কমে যাওয়ার আশঙ্কায় দামে পতন দেখা দিয়েছে। বিশেষ ভাবে চীনের অর্থনৈতিক মন্দার কারণে চাহিদা হ্রাসের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া লিবিয়ার থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি শুরু হওয়ার প্রত্যাশার কারণের অপরিশোধিত তেলের দামে পতন ঘটেছে। অন্যদিকে আবার ওপেক দেশগুলি অপরিশোধিত তেলের উৎপাদন কমানোর সীদ্ধান্ত পুনঃরায় বিবেচনা করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ একই রাখার পরিকল্পনায় দাম কমেছে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাজার বিশেষজ্ঞরা অপরিশোধিত তেলের দাম কমার কারণগুলির পাশাপাশি আরও জানিয়েছে, দাম কমানোর জন্য সরকারি কোম্পানিগুলির পাশাপাশি সাধারণ জণগণেরও লাভ হবে। দীর্ঘ সময় ধরে অপরিশোধিত তেলের দাম পতন থাকলে সরকারের উপর পেট্রোল – ডিজেলের দাম কমানোর চাপ বাড়বে। যার ফলে পেট্রোল – ডিজেলের দাম কমার পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের খরচ কমবে।




