Article By – সুনন্দা সেন

গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি (US inflation) তথ্য প্রকাশের আগে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রায় স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে, যেখানে রুপোর দাম রেকর্ড উচ্চতার কাছাকাছি লেনদেন করছে। বিনিয়োগকারীরা এখন সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন এবং ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ সুদের হার নীতির ইঙ্গিতের জন্য অপেক্ষা করছেন। বিশ্ববাজারে সোনার দাম সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতির পর বর্তমানে সীমিত পরিসরে ওঠানামা করছে। মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি তথ্য যদি প্রত্যাশার তুলনায় বেশি আসে, তাহলে সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ থাকতে পারে। যা সোনার দামের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
অন্যদিকে, মুদ্রাস্ফীতি কমার ইঙ্গিত মিললে সুদের হার কাটছাঁটের সম্ভাবনা বাড়বে, যা সোনার দামের পক্ষে ইতিবাচক হতে পারে। অবশ্য রুপোর ক্ষেত্রে চিত্র কিছুটা ভিন্ন। শিল্পক্ষেত্রে চাহিদা এবং নিরাপদ বিনিয়োগের আকর্ষণ, এই দুইয়ের জোরে রুপোর দাম রেকর্ড স্তরের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি রেনোয়েবেল এনার্জি, ইলেকট্রনিক্স ও বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পে রুপোর ব্যবহার বাড়ায় এর চাহিদা শক্তিশালী রয়েছে। ফলে অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যেও রুপোর বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
ভারতীয় বাজারেও এর প্রভাব স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক দামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে MCX-এ সোনা তুলনামূলক স্থিতিশীল, আর রুপোর উচ্চ স্তরে দাম বজায় রয়েছে। বিয়ের মরসুম ও উৎসবের চাহিদা সোনার দামের নিচে নামা কিছুটা ঠেকাচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্পমেয়াদে সোনা ও রুপোর দাম মূলত মার্কিন অর্থনৈতিক তথ্য, ডলার সূচক এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। বিনিয়োগকারীদের জন্য এখন সতর্ক কৌশল অবলম্বন করা জরুরি, কারণ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশের পর বাজারে হঠাৎ বড় ওঠানামা দেখা যেতে পারে।
রিপোর্ট অনুসারে, মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি তথ্য প্রকাশের আগের এই সময়ে সোনা স্থিতিশীল থাকলেও রুপোর শক্তিশালী পারফরম্যান্স ইঙ্গিত দিচ্ছে যে মূল্যবান ধাতুর বাজারে অনিশ্চয়তার মধ্যেও নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা এখনও অটুট।




