Article By – সুনন্দা সেন

ভারতের এনার্জি সেক্টরের জন্য একটি বড় অগ্রগতির অংশ হিসেবে থার্মাল পাওয়ার ২০২৫-২৬ অর্থবছর এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরের মধ্যে প্রাইভেট সেক্টরের কোম্পানিগুলির থেকে ৭৭,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ পাবে বলে আশা করছে। Crisil Ratings (ক্রিসিল রেটিংস)- এর প্রতিবেদন অনুসারে, এই একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। এছাড়া আরও জানা যাচ্ছে যে আগামী তিন বছরে সরকারি ও বেসরকারি উভয় প্রকল্প সহ থার্মাল খাতে মোট বিনিয়োগ দ্বিগুণ হয়ে ২.৩ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। বেসরকারি খাতের অংশ যা আগে মাত্র ৭% থেকে ৮%- এ সীমাবদ্ধ ছিল, এখন মোট বিনিয়োগের এক-তৃতীয়াংশে উন্নীত হবে।
নতুন ক্ষমতার বেশিরভাগই আসবে ব্রাউনফিল্ড সম্প্রসারণ থেকে, যা জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব এড়াবে। আর এই বিনিয়োগে মূখ্য ভূমিকা পালন করবে আদানি পাওয়ার, টাটা পাওয়ার, JSW এনার্জি এবং বেদান্ত পাওয়ার। এছাড়া জানা যাচ্ছে যে ১০ বছরের মধ্যে প্রথম বারের মতো চারটি রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিও বেসরকারি থার্মাল প্রডিউসারের সাথে ২৫ বছর মেয়াদী PPA (Power Purchase Agreement) স্বাক্ষর করেছে। এছাড়া এই চুক্তিগুলি বিনিয়োগকারীদের জন্য আর্থিক ঝুঁকি হ্রাস করে। পাশাপাশি স্থিতিশীল রাজস্ব প্রবাহ নিশ্চিত করে এবং থার্মাল প্রকল্পগুলির কার্যকারিতা উন্নত করে। আর বেসরকারি কোম্পানিগুলি বিনিয়োগ করছে আর্থিক কার্যকারিতা এবং পরিচালনাগত দক্ষতার সমন্বয় ঘটায়।
এবার প্রশ্ন হলো আদানি, টাটা এবং বেদান্ত পাওয়ারের মতো কোম্পানিগুলি থার্মাল পাওয়ার বিভাগে কেনো বা কোন উদ্দেশ্যে বিনিয়োগ করছে? উত্তর হলো:-
- ২০৩১-৩২ সালের মধ্যে ভারতের বিদ্যুৎ চাহিদা ৩৬৬ গিগাওয়াটে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রিনিউয়েবেল সেক্টর এই চাহিদার প্রায় ৭০% পূরণ করবে। তবে বাকি থার্মাল পাওয়ার থেকে গ্রহণ করতে হবে।
- সরকার ২০৩২ সালের মধ্যে ৮০ গিগাওয়াট নতুন কয়লা ভিত্তিক থার্মাল উৎপাদন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ বিনিয়োগের অন্যতম বিকল্পও এই থার্মাল সেক্টর।




