buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Stock

কীভাবে শেয়ার কিনবেন ও বেচবেন?

শেয়ারবাজারে কীভাবে বিনিয়োগ করবেন? কোথায় account খুলবেন? কীভাবে কোনো কোম্পানির শেয়ার কিনবেন এবং বেচবেনই বা কীভাবে? ব্রোকারেজ চার্জ কী? শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা হলে bank account-এ সেটি transfer করবেন কীভাবে সবকিছু জানব আজকের আলোচনায়।

6 2

দেখুন, প্রথমেই ভারতে শেয়ার কেনা বেচার জন্য প্রয়োজন হবে একটি ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের এবং একটি ট্রেডিং অ্যাকাউন্টের। প্রচুর স্টক ব্রোকার রয়েছে যারা বর্তমানে একইসঙ্গে ডিম্যাট ও ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধে দেয়। আর এর সঙ্গে আপনাকে ব্যাংক অ্যাকাউন্টও যোগ করে রাখতে হবে যাতে খুব সহজেই ফান্ড ট্রান্সফার করতে পারা যায়। সুতরাং যে তিনটি অ্যাকাউন্ট এক্ষেত্রে আপনার দরকার সেগুলি হল –

এক, ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট। এটি আপনার কেনা সিকিউরিটিগুলি electronic format-এ সংরক্ষণ করে, এতে করে physical certificate সংরক্ষণের ঝক্কি থাকে না। এবং demat অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে আপনাকে কোনো Depository participant-এর মাধ্যমেই তা খুলতে হবে যারা NSDL (National Securities Depository Limited) ও CDSL (Central Depository Services Limited)-এর দ্বারা affiliated। বর্তমানে প্রচুর এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ব্রোকারেজ সুবিধে দেয় ও একইসঙ্গে Depository participant-ও বটে। অর্থাৎ আপনি একইসঙ্গে demat ও trading অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা পাবেন। সুতরাং আপনি Zerodha, Upstox, Angel Broking-এর মতো স্টক ব্রোকার, Motilal Oswal-এর মতো কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ICICI, Axis, SBI-এর মতো ব্যাংকের কাছেও demat account খোলার সুবিধা পাবেন।

দুই, ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট। এটি শেয়ার কেনা বেচার জন্য প্রয়োজন হবে। এটি ডিম্যাট অ্যাকাউন্টেরই পরিপূরক।

তিন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, যেটি fund transfer-এ কাজে দেবে।

এবার জেনে রাখুন এই স্টক ব্রোকার কিন্তু দুইরকমের হয়, full service stock broker ও discount stock broker। Full service stock broker আপনাকে ট্রেডিং advice দেবে, stock সম্পর্কে research report provide করবে, সময়ে সময়ে বলে দেবে কোন স্টক কিনবেন বা বেচবেন। আর সুবিধেগুলির জন্য এদের brokerage চার্জ বেশি।

আর অন্যদিকে, discount ব্রোকার আপনাকে ট্রেডিং-সংক্রান্ত কোনো উপদেশ দেবে না, কোন শেয়ারটি কিনতে হবে বা কোনটি বিক্রি করতে হবে এমন কোনো উপদেশ দেয় না। ফলে এদের ব্রোকারেজ চার্জ অনেকটাই কম।

আপনি কোনটি বাছবেন সেটি সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করবে, কিন্তু market expert-রা মনে করেন ট্রেডিং-সংক্রান্ত কোনো tips-এর পেছনে না ছুটে আপনি নিজে research করে, কোম্পানির fundamendal দেখে তবেই শেয়ার কেনার বা বেচার সিদ্ধান্ত নিন। আর যে-কোনো শেয়ারের বা সেই কোম্পানি সম্পর্কে অ্যানালাইসিস বা কোম্পানির past performance খুব সহজেই internet-এ বর্তমানে available, তাই কম ব্রোকারেজ চার্জ দিয়ে discount broker বাছা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এখানে জেনে রাখতে হবে কী কী চার্জ একটি স্টক ব্রোকার আপনার থেকে নিতে পারে –

প্রথমত, account খোলার সময়ে account opening চার্জ কাটা হয়। এখন অনেক ব্রোকারই এই চার্জ কাটে না।

দ্বিতীয়ত, Annual maintenance charge বা AMC ধার্য করে বেশ কিছু স্টক ব্রোকার। তিনমাস অন্তর বা বছরে একবার এই fee ধার্য করা হয়। তবে কিছু কিছু ব্রোকার AMC চার্জ করে না। যেমন – groww-তে কোনো AMC নেই। 5 paisa-তে আপনার ১টি ডিম্যাট অ্যাকাউন্টের হোল্ডিং ভ্যালু যদি ৫০,০০০ অবধি হয়, তাহলে কোনো AMC ধার্য করা হয় না। এই চার্জগুলি ছাড়াও প্রতি trading-এর ভিত্তিতে brokerage fee কাটা হয়। আলাদা আলাদা broker-এর brokerage fee আলাদা হয়। কেউ কেউ প্রতি লেনদেনে চার্জ করে, আবার কেউ কেউ flat rate-এ প্রতি মাসে বা তিনমাস অন্তর brokerage fee চার্জ করে।

11

মনে রাখতে হবে শেয়ার কেনার সময়ে যেমন brokerage চার্জ নেওয়া হবে, একইভাবে বিক্রি করার সময়ও এই চার্জ কাটা হয়। 

একটা উদাহরণ দিই – ধরুন ABC একটি brokerage firm। এবার ধরে নিচ্ছি এই brokerটি brokerage হিসেবে intraday trading-এর ক্ষেত্রে 0.275% ব্রোকারেজ ফি নেয় এবং delivery trading-এর ক্ষেত্রে 0.50% ব্রোকারেজ ফি নেয়। এবং এই চার্জগুলি total turnover-এর উপর কাটা হয়। আমরা ধরে নিচ্ছি ১০০ টা শেয়ার ১২০ টাকায় কিনে ১৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। তাহলে ABC ফার্মের ব্রোকারেজ ফি হবে।

Intraday-র ক্ষেত্রে,

Total Turnover = (120×100)+(150×100)=  Rs. 27000

Total brokerage = (27000 x 0.275%) = 135/-

Delivery trading-এর ক্ষেত্রে,

Total Turnover = (120×100)+(150×100)

              = Rs. 27000

Total brokerage = (27000 x 0.50%)

      = Rs. 74.25

অর্থাৎ শেয়ার কিনতে ও বেচতে delivery trading-এর ক্ষেত্রে ১৩৫ টাকা ও intraday trading-এর ক্ষেত্রে ৭৪.২৫ টাকা ব্রোকারেজ ফি লাগল। ব্রোকারেজ ফি ছাড়াও transaction tax, service tax, SEBI turnover charges, DP charges, Stamp duty-র মতো আরও বেশ কয়েকটি চার্জ যুক্ত থাকে। তাই broker নির্বাচনের আগে চার্জগুলি সম্পর্কে জেনে নিন এবং কোনো নামকরা বা popular broker-এর কাছেই demat A/C খুলুন কারণ এমন অনেক উদাহরণ অতীতে রয়েছে যেখানে brokerage firm-এর bankrupty-র ফলে প্রচুর বিনিয়োগকারীর প্রচুর আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। আর এখানে শুধুমাত্র ব্রোকারটি SEBI registered কিনা দেখলেই হবে না, কারণ registered হওয়ার পরও ব্রোকারের দেউলিয়ার ঘটনা দেখা গেছে। তাই বিষয়গুলি অবশ্যই লক্ষ রাখবেন।

আপনি ব্রোকার নির্বাচন করার পর ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে যে নথিগুলি দরকার হবে সেগুলি এবার দেখে নেব। জানিয়ে রাখি আলাদা আলাদা ব্রোকারেজ ফার্মের ক্ষেত্রে এই নথিগুলির কিছু এদিক ওদিক হতে পারে, তবে মূল যেগুলি মোটামুটি সবক্ষেত্রেই প্রয়োজন হবে সেগুলি হল – 

  • প্রথমেই, PAN card অবশ্যই প্রয়োজন।
  • দ্বিতীয়ত, ঠিকানা ও পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে ভোটার কার্ড,  আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, recent কোনো utility bill ইত্যাদির প্রয়োজন পড়বে।
  • ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রমাণস্বরূপ A/C no, bank statement, IFSC code এগুলি হাতের কাছে রাখবেন। এছাড়া একটি cancelled cheque কাছে রাখবেন। অনেক ক্ষেত্রে সেটি upload করতে হতে পারে যদি  আপনি online-এ demat A/c খুলতে চান।
  • আপনার photograph।
  • সাদা কাগজে আপনার সই, যেটা আপনাকে upload করতে হবে।
  • এছাড়া ITR Acknowledgement-এর copy ও আয়ের প্রয়োজন হয় যদি আপনি Future ও Option-এর মতো derivative trading করতে চান তাহলে।

আপনার KYC নথিগুলি আপনি online বা offline-এ জমা করতে পারেন। সমস্ত KYC verification-এর পর online-এ মোটামুটি ৪-৫ ঘণ্টা পরই আপনার demat অ্যাকাউন্ট open হয়ে যাবে। আর offline-এ পুরো precess complete হতে মোটামুটি ২-৩ দিন সময় লেগে যায়। এবার যেহেতু আপনার KYC ভেরিফাই হয়েই demat A/c open হল তাই এরপর trading A/c-এর জন্য খুব কম সময় লাগবে বা বলা ভালো সাথে সাথে trading A/c-ও open হয়ে যাবে। আমরা এখানে নির্দিষ্ট কোনো ব্রোকারের উদাহরণ দিয়ে buy ও sell-এর প্রক্রিয়াটি বোঝাব না। In general কীভাবে buy বা sell করবেন সেটা জানাব।‌ তাই পদ্ধতিগুলি এক এক ব্রোকারের ক্ষেত্রে কিছুটা হেরফের হতে পারে।

July 18 New in article ads By Sir

ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট খোলার পর ID ও password দিয়ে লগইন করে A/C-এ fund transfer করতে হবে যাতে আপনি শেয়ার কিনতে পারেন। এখানে আপনি আপনার ইচ্ছেমতো fund transfer করতে পারেন Add money-তে click করে। মনে রাখতে হবে আপনি A/C opening-এর সময়ে যে bank detail দিয়েছিলেন সেখান থেকেই কিন্তু fund transfer হবে। এক্ষেত্রে UPI payment-এর মাধ্যমে, NEFT / IMPS বা net banking-এর মাধ্যমে fund transfer করা যাবে। তবে আপনি fund transfer-এর ক্ষেত্রে একাধিক bank A/C যোগ করতে পারেন Add bank option থেকে। ফান্ড সাথে সাথে আপনার trading A/C-এ show করবে। এটি আপনি শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন।

এরপর কীধরনের শেয়ার আপনি কিনতে চান সেটা নিয়ে research করুন। আমরা এখানে stock research-এর ব্যাপারে detail-এ যাব না, শুধু এটাই বলব buy and hold strategy বজায় রাখবেন অর্থাৎ শেয়ার কিনে long term-এর জন্য ধরে রাখার কৌশল মাথায় রাখবেন এবং কোনো একটি নির্দিষ্ট স্টকেই সমস্ত অর্থ ব্যয় করে ফেলবেন না, বরং আপনার stock portfolio diversify করুন। আপনি search option-এ গিয়ে কোনো শেয়ারের দাম জানতে চাইলে বা graph দেখতে চাইলে তাও পারবেন। ধরুন আপনি রিলায়েন্স-এর শেয়ার কিনতে চাইছেন, তাহলে search-এ Reliance-এর নাম type করলে current price, chart সব দেখা যাবে। এরপর দেখবেন নীচের দিকে buy ও sell option থাকবে। আপনি buy option-এ click করে কটি quantity-তে কিনতে চান সেটি উল্লেখ করবেন এবং price-এর জায়গায় দুটি option থাকবে– একটি হল market price, আরেকটি হল limit price।

Market Price হল যে দামে বর্তমানে শেয়ারটি ট্রেড করছে সেটি। Market price choose করলে আপনাকে আলাদা করে price বসাতে হবে না কারণ market-এ যে দামে শেয়ারটি কেনাবেচা হচ্ছে সেইদামেই order execute হবে। 

আর অন্যটি হল limit price, এখানে আপনি একটি limit set করে দিতে পারেন। আপনার set করা limit-এ যখন শেয়ারটির দাম পৌঁছবে তখনই order execute হবে। এছাড়াও NSE না BSE কোথা থেকে আপনি কিনতে চাইছেন সেটাও আপনি বাছতে পারেন। 

NSE-তে মার্কেট ক্যাপ বেশি, ট্রেডিং ভলিউম বেশি। তাই যাঁরা বেশি liquidity চান তাঁরা NSE পছন্দ করেন বেশি। তবে যাঁরা investment-এ হাতেখড়ির পর্যায়ে রয়েছেন, তাদের জন্য BSE উপযুক্ত, কারণ BSE- লিস্টেড সিকিউরিটির সংখ্যা বেশি। আপনি NSE-তে শেয়ার কিনে BSE-তে sell করতে পারেন আবার উল্টোটাও করতে পারেন তবে তার জন্য শেয়ার কিনে বিক্রির জন্য দুটো working day আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। 

তবে কোনো শেয়ার কেনার পর সাথে সাথে আপনি শেয়ার sell করে ট্রেড থেকে exit করতে চাইলে এক্ষেত্রে আপনি যে exchange থেকে কিনবেন, সেখানেই sell করতে হবে। অর্থাৎ buy order-এ গিয়ে NSE না BSE, delivery trading না intraday trading বেছে quantity দিতে হবে। 

এরপর limit নাকি market price সেটা নির্বাচন করে buy option-এ ক্লিক করলেই আপনার buy order place হবে। 

যেহেতু আপনি ইতিমধ্যে trading A/C-এ টাকা add করে নিয়েছেন, তাই সাথে সাথে trading A/C থেকে পর্যাপ্ত টাকা কেটে যাবে। তবে শেয়ার কেনার সাথে সাথে অ্যাকাউন্টের holding-এ সেগুলি show করবে না। 

বর্তমানে T+1 day-তে A/C-এ সেটি reflect হয়। অর্থাৎ যদি আপনি সোমবার শেয়ার কেনেন তাহলে সেটি মঙ্গলবার অ্যাকাউন্টে দেখাবে। 

Holding optionটিতে average কত টাকায় আপনি শেয়ারটি কিনেছেন, কটি শেয়ার কিনেছেন, লাভে আছেন না লোকসানে– সব দেখা যাবে। আরও একটি কথা বলা প্রয়োজন, buy order দেওয়ার সাথে সাথে আপনি যেমন exit করতে পারেন, ঠিক একইভাবে order modify-ও করতে পারেন। মানে হয়তো আপনি শেয়ার সংখ্যা বাড়ালেন বা কমালেন, এক্সচেঞ্জ পরিবর্তন করলেন, limit price change করলেন বা দেখা গেল limit price আর রাখলেনই না, মার্কেট প্রাইসে buy করলেন– ইত্যাদি সবরকম modify করতে পারেন।

কেনা তো হল, এবার দেখে নেব sell করবেন কীভাবে। এটাও খুব সহজে করা যাবে। 

প্রথমেই আপনার demat A/C-এ যে শেয়ারগুলি রয়েছে, সেগুলির মধ্যে থেকে যেটি আপনি sell করতে চান সেটি select করুন। আমি ধরে নিচ্ছি RVNL আমি sell করব। 

Sell option-এ ক্লিক করলে আপনার কাছে কটি শেয়ার রয়েছে সেটি দেখাবে। আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি সবগুলোই বিক্রি করবেন নাকি সেখান থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী কয়েকটি বিক্রি করবেন। 

ঠিক একইভাবে এখানেও BSE-তে নাকি NSE-তে sell করতে চান সেটি select করতে পারেন। এখানেও market price-এ নাকি limit price-এ sell করবেন সেটি বাছতে পারেন। 

Limit price বাছলে আপনাকে একটি দাম লিখে দিতে হবে এবং সেই দামে পৌঁছলে তবেই sell order execute হবে। 

এরপর sell option-এ আবার click করলে বা sell confirm করলে orderটি place হবে। মনে রাখবেন, সারাদিনে দাম limit price-এ না পৌঁছালে order execute হবে না, cancel হয়ে যাবে।

Order একবার execute হলে demat A/C থেকে শেয়ারগুলি debit হয়ে যাবে, এবং sell করে যে টাকাটা এল সেটা A/C-এ credit হবে। এখানে কিন্তু brokerage charge, transaction change, বিভিন্ন tax, stamp duty ইত্যাদি কাটা হবে এবং net amount আপনি bank A/C-এ transfer করতে পারেন। Withdraw option থেকে সহজেই টাকা ব্যাংকে ট্রান্সফার করা যাবে। এখানেও সাথেসাথে fund transfer হবে না, 1 business day-র মধ্যে সেটিকে ব্যাংকে transfer করতে পারেন।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading