buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Rupee cost Averaging

Rupee-cost averaging কী? বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি তাৎপর্যপূর্ণ কেন?

শেয়ার বাজার থেকে high return পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদের উচিত কম দামে শেয়ার কিনে বেশি দামে বিক্রি করা। তবে বেশিরভাগ মানুষ বিশেষত নতুন বিনিয়োগকারীরা এর ঠিক উল্টোটা করে বসেন। তার কারণ হল তাঁরা বুঝতে চেষ্টা করেন কখন বাজার ঊর্ধ্বমুখী আর কখন নিম্নমুখী আছে এবং সেই অনুযায়ী বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে চেষ্টা করেন। যেহেতু এইভাবে market time করা বা বাজার পরিস্থিতি বোঝা বেশ কঠিন, সেই কারণে অনিবার্যভাবে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী বেশি দামে কিনে, কম দামে বিক্রি করে দেন এবং প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হন।

6 2

ফলে এই সমস্যার সমাধানের জন্য বিনিয়োগকারীরা যে বিনিয়োগ কৌশল ব্যবহার করতে পারেন, তা হল rupee-cost averaging। এই পদ্ধতিটি মূলত মিউচ্যুয়াল ফান্ডে যাঁরা SIP-র মাধ্যমে বিনিয়োগ করেন তাঁদের জন্য কার্যকর। SIP-তে মার্কেট মুভমেন্ট বা অ্যাসেটের দাম যা-ই থাকুক না কেন, আগে থেকে ঠিক করা একটি অ্যামাউন্ট নির্দিষ্ট দিনে ইনভেস্ট হয়ে যাবে।

SIP-র ক্ষেত্রে rupee-cost-এর গুরুত্ব বেশি হওয়ার কারণ হল যেহেতু নির্দিষ্ট একটি অ্যামাউন্ট প্রতি মাসে জমা করা হয়, তাই এই ক্ষেত্রে বাজার নিম্নমুখী হলেও বেশি ইউনিট কেনার সুযোগ থাকে বিনিয়োগকারীদের কাছে। অন্যদিকে বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলে যেহেতু ইউনিটের NAV বাড়ে তাই সেইসময় কম ইউনিট কেনা যায়। ফলে একটা সময় পর দেখা যায় ফান্ডের purchase price-এর অ্যাভারেজ হয়ে যায় অর্থাৎ দাম আর খরচের অ্যাভারেজ বা গড় হয়ে যায়। দীর্ঘসময় ধরে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগের কারণে purchasing cost অর্থাৎ ক্রয়মূল্য বা কেনার দাম কমে যায় এবং লাভ বেড়ে যায়।

কীভাবে কাজ করে rupee-cost averaging?

ধরুন, দুজন ব্যক্তি মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ শুরু করেছেন। একজন প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে বিনিয়োগ করছেন ৬ মাসের জন্য এবং অন্য এক ব্যক্তি একেবারে ৬০০০ টাকা lumpsum বিনিয়োগ করছেন।

SIP পদ্ধতি

মাসঅ্যামাউন্টNAV (Rupee)ইউনিট ক্রয়
জানুয়ারি১০০০ টাকা১৫ টাকা৬৬.৬৭
ফেব্রুয়ারি১০০০ টাকা১২ টাকা৮৩.৩৩
মার্চ১০০০ টাকা১৩ টাকা৭৬.৯২
এপ্রিল১০০০ টাকা১০ টাকা১০০
মে ১০০০ টাকা১৮ টাকা৫৫.৫৬
জুন১০০০ টাকা২০ টাকা৫০
মোট৬০০০ টাকা৪৩২.৪৮

প্রতি ইউনিটের খরচ = ১৩.৮৭ টাকা।

Lump Sum পদ্ধতি 

মাসLump Sum AmountNAV (Rupee)ইউনিট ক্রয়
জানুয়ারি৬০০০ টাকা১৫ টাকা৪০০

প্রতি ইউনিটের খরচ = ১৫ টাকা।

আপনারা চার্টে দেখতে পাচ্ছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে টানা ৬ মাসের জন্য SIP করেছেন তাঁর ক্ষেত্রে rupee-cost-এর average হয়ে প্রতি ইউনিটের খরচ দাঁড়িয়েছে ১৩.৮৭ টাকা। অন্যদিকে যে ব্যক্তি একবারে ৬০০০ টাকা lump sum বিনিয়োগ করেছেন তাঁর ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিটের খরচ ১৫ টাকা।

Rupee-cost averaging-এর সুবিধা:

→ ভোলাটিলিটি মোকাবিলা করা:  এই বিনিয়োগ কৌশলের ফলে মার্কেট ভোলাটিলিটি কমে কারণ বাজার high থাকুক বা low, ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করতে হয়। 

→ বাজার পরিস্থিতি দেখার প্রয়োজন নেই:  শেয়ার বাজার নিম্নমুখী হলে বিনিয়োগ করব বা ঊর্ধ্বমুখী হলে বিনিয়োগ করব না— এইরকমভাবে market time করার দরকার নেই। প্রতিনিয়ত বিনিয়োগ করতে হবে।

দাম বা খরচ কমে:  নিয়মিত নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট জমা করার ফলে দেখা যায় প্রতি ইউনিটের দাম কমে এসেছে এবং লাভ বাড়ছে।
নিয়মানুবর্তিতা:  যে-কোনো ক্ষেত্রে সফলতার জন্য নিয়ম বা শৃঙ্খলা প্রয়োজন। SIP-র মাধ্যমে নিয়মিত বিনিয়োগ করলে ইনভেস্টমেন্টে ডিসিপ্লিন বা নিয়মানুবর্তিতা তৈরি হয়, পাশাপাশি rupee-cost-এর সুবিধাও পাওয়া যায়।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading