buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Dividend

ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিভিডেন্ড না এলে কী করবেন?

বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ যাত্রায় ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকে। ডিভিডেন্ড আসলে কোম্পানির লাভের একটি অংশ যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। ফলত বিনিয়োগকারীরা নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিভিডেন্ড পাওয়ার আশা রাখেন। তবে এমন অনেক সময় দেখা যায় যে কোম্পানি ডিভিডেন্ড দেওয়ার পরও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সেটি দেখায় না বা আসে না। এই ধরনের কিছু ঘটলে সত্ত্বর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। চলুন আজকের এই আলোচনায় আমরা দেখে নিই এই পরিস্থিতিতে কী করবেন।

July 18 New in article ads By Sir

ডিভিডেন্ড না পাওয়ার কারণ :

প্রচুর কারণ থাকতে পারে ডিভিডেন্ড না পাওয়ার জন্য। সেইরকমই কয়েকটি আমরা আলোচনা করছি—

– ব্যাংকের বর্ণনায় ভুল : আপনি ব্রোকার বা ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যাটফর্মে যে ব্যাংকের বিবরণী দিয়েছেন সেটি সঠিক কিনা মিলিয়ে দেখুন। সামান্যতম ভুলেও প্রাপ্য ডিভিডেন্ড আপনার হাতছাড়া হতে পারে। 

– প্রসেসিংয়ের দেরি : কিছু ক্ষেত্রে আবার প্রযুক্তিগত কোনো কারণে ডিভিডেন্ডের প্রক্রিয়াকরণে দেরি হতে পারে। এই সময় ধৈর্য রাখা দরকার। তবে খুব বেশি দেরি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

– পরিচালনাগত ত্রুটি : কোম্পানির অভ্যন্তরীণ পরিচালনাগত ত্রুটির কারণে কিছু ক্ষেত্রে ডিভিডেন্ড ব্যাংকে ক্রেডিট হয় না। এইসময় সঠিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই ধরনের ত্রুটি সংশোধন করা যায়।

ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিভিডেন্ড না এলে কি করবেন? 

যোগ্য শেয়ারহোল্ডাররা ঠিকমতো নিজেদের ডিভিডেন্ড পেলেন কিনা সেই বিষয়টি দেখার ক্ষেত্রে RTA বা registrar and transfer agent-এর বড় ভূমিকা থাকে। Demat account-এর সঙ্গে যুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট ডিভিডেন্ড ক্রেডিট হয়। তবে উপরোক্ত কোনো কারণ বা অন্য যে-কোনো কারণে যদি ডিভিডেন্ড না পাওয়া যায় তাহলে এই ব্যবস্থাগুলি নেওয়া যেতে পারে—

  • ব্যাংক ডিটেইল যাচাই করা : অ্যাকাউন্টহোল্ডারের নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, IFSC কোড, ইত্যাদির মতো প্রয়োজনীয় ব্যাংক নথগুলি ঠিকভাবে রেজিস্টার হয়েছে কিনা যাচাই করুন।
  • ব্যাংক ডিটেইল আপডেট : ব্যাংকের তথ্যে কোনোরকম পরিবর্তন হলে সেটি অবশ্যই ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্টের সঙ্গে আপডেট করুন। যেমন ধরুন আপনার যে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে সেটি মার্জ হল, সেক্ষেত্রে IFSC কোড পরিবর্তন হতে পারে। ফলে যে-কোনোরকমের পরিবর্তন অবশ্যই আপডেট করা দরকার। Demat account-এর নথিতেও ব্যাংকের সব তথ্য আপডেট থাকা জরুরি। এতে demat account, registrar ও transfer agent-এর তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকবে।
  • রেজিস্ট্রার ও ট্রান্সফার এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ : যদি সমস্ত তথ্য যাচাই ও আপডেশনের পরেও ডিভিডেন্ড না পেয়ে থাকেন তাহলে কোম্পানির রেজিস্ট্রার ও ট্রান্সফার এজেন্টের সঙ্গে কথা বলা দরকার। তারা জানাতে পারবে কী কারণবশত এমনটা ঘটছে এবং কীভাবে দ্রুত মীমাংসা করা যায়।
  • সক্রিয় থাকুন : ডিভিডেন্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে রেকর্ড ডেট ও এক্স ডিভিডেন্ড ডেটের মাহাত্ম্য অনেকখানি। আপনি কোনদিন শেয়ার কিনেছেন সেটি একান্ত দেখা প্রয়োজন। আপনি এক্স ডিভিডেন্ডের দিন বা তার পরে শেয়ার কিনলে ডিভিডেন্ড পাবেন না। ফলে সেই বিষয়ে বিচক্ষণ থাকতে হবে। 

সুতরাং ডিভিডেন্ড না পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা যায় হোক না কেন, সক্রিয়ভাবে তার সমাধান করা প্রয়োজন। কোনদিন ডিভিডেন্ড ঘোষণা হল, এক্স ডিভিডেন্ড কবে, রেকর্ড ডেট কবে, আপনার ব্যাংক ডিটেইল demat account-এ সঠিক আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। এইরকমের কিছু হয়ে থাকলে দ্রুত তার নিষ্পত্তি করলে আপনি প্রাপ্য লভ্যাংশ পেয়ে যাবেন। 

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading