Active Infrastructures-এর IPO সাবস্ক্রিপশনের প্রথম দিন ছিল আজ। শুক্রবার, ২১ মার্চ থেকে শুরু করে সাবস্ক্রিপশন চলবে মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৫ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিটি ইক্যুইটি শেয়ারের, যার ফেস ভ্যালু প্রতি শেয়ারে ৫ টাকা, ১৭৮ টাকা থেকে ১৮১ টাকার মধ্যে IPO-র মূল্যসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। IPO-তে একজন বিনিয়োগকারী ন্যূনতম ৬০০টির শেয়ার কিনতে পারেন এবং তার পরে ৬০০টির গুণিতকে শেয়ার কিনতে হবে। এবার জানা যাক কোম্পানির ইতিহাস সম্পর্কে।
২০০৭ সালে নির্মিত কোম্পানিটি সিভিল কনস্ট্রাকশনের সঙ্গে জড়িত। কোম্পানিটি পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিক নির্মাণ প্রকল্পে বিশেষ নজর দেয়। কোম্পানিটির বিশেষত্ব হল রাস্তাঘাট, ব্রিজ, জল সরবরাহ ব্যবস্থা, সেচ ব্যবস্থার মতো পরিকাঠামো উদ্যোগে কাজ করা। এছাড়াও বাণিজ্যিক নির্মাণ যেমন অফিস বিল্ডিং, রিটেল স্পেস, প্রদর্শন কেন্দ্র, বিদ্যালয় ইত্যাদি নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত এটি।
সারা ভারতবর্ষ জুড়ে Active Infrastructures কার্য পরিচালনা করে এবং কোম্পানির বিভিন্ন প্রোজেক্ট মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও ত্রিপুরার মতো রাজ্যগুলিতে রয়েছে। কোম্পানিটি গ্রাহক সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেয় এবং নিজেদের সমস্ত প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে উন্নত মান এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
উল্লেখ্য, শেয়ার বাজারে এই কোম্পানিটির দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি রয়েছে, যেমন AVP Infracon Ltd. (P/E 25.70), এবং V. L. Infraprojects Ltd. (P/E 6.95)।
কোম্পানিটির IPO status:
Active Infrastructures-এর প্রথম দিনের IPO subscription status ছিল 5%। দেখে নিন প্রথমদিনের সম্পূর্ণ সাবস্ক্রিপশন।
| Qualified Institutional Buyers 0.00X |
| Non-Institutional Investor 0.01X |
| Retail Individual Investor 0.09X |
| Total 0.05X |
IPO-র তথ্যাদি
কোম্পানিটির IPO-তে নতুন ইস্যু ছিল ৪৩,০০,২০০ ইক্যুইটি শেয়ার, মোট ৭৭.৮৩ কোটি টাকার। কোনোরকম OFS অর্থাৎ Offer For Sale চিল না।
IPO-তে সংগৃহীত অর্থ Active Infrastructures বিভিন্নভাবে কাজে লাগাতে চায় যেমন – working capital-এর চাহিদা মেটানো, কোম্পানির কোনো ঋণ পরিশোধ, ব্যাংক গ্যারেন্টির জামানত হিসেবে ব্যবহার, মূলধনী ব্যয়ের ক্ষেত্রে খরচ এছাড়া কর্পোরেট কোনো চাহিদা মেটানো।
Active Infrastructures-এর আজকে grey market-এ প্রিমিয়াম ছিল ₹ 0। GMP শূন্য হওয়ার অর্থ শেয়ারগুলি ইস্যু প্রাইস অর্থাৎ ১৮১ টাকায় ট্রেড করেছে, কোনোরকম প্রিমিয়াম বা ছাড় ছাড়াই। এখানে উল্লেখ্য, কোনো কোম্পানির শেয়ার যদি গ্রে মার্কেটে প্রিমিয়ামে লেনদেন হয় তাহলে এর অর্থ হল বিনিয়োগকারীরা ওই শেয়ারের জন্য ইস্যু প্রাইসের থেকে বেশি মূল্য দিতে প্রস্তুত।




