Article By – সুনন্দা সেন

আজ (১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) শেয়ার বাজারে সবচেয়ে বড় নজর ছিল নিফটি৫০- এর এক্সপায়ারি সেশনের দিকে। বিনিয়োগকারী ও ট্রেডারদের মধ্যে দিনভর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটি প্রশ্ন। নিফটি কি গুরুত্বপূর্ণ ২৫,৯০০ পয়েন্টের উপরে দিনের লেনদেন শেষ করতে পারবে? নাকি এই স্তরেই আবার বাধার মুখে পড়বে। দিনের শুরুতে নিফটি৫০ তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ও হালকা ইতিবাচক ভাব নিয়ে লেনদেন শুরু করে। গ্লোবাল বাজার থেকে মিশ্র সংকেত এলেও দেশীয় বাজারে বড় কোনও নেতিবাচক চাপ দেখা যায়নি।
সকালের সেশনে সূচক ২৫,৯০০ পয়েন্টের কাছাকাছি ওঠানামা করতে থাকে, যা স্পষ্টভাবে বোঝায় যে এই স্তরটি আজকের এক্সপায়ারি দিনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের জায়গা।
এক্সপায়ারি সেশনে সাধারণত বাজারে বাড়তি ভোলাটিলিটি দেখা যায়। ডেরিভেটিভ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে অনেক ট্রেডার তাদের পজিশন ক্লোজ বা রোলওভার করেন। এর ফলে দিনের শেষ ভাগে নিফটিতে হঠাৎ ওঠানামা দেখা যায় এবং সূচক অনেক সময় একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যেই ঘোরাফেরা করে।
টেকনিক্যাল বিশ্লেষকদের মতে, ২৫,৯০০ পয়েন্ট বর্তমানে নিফটির জন্য একটি বড় রেজিস্টেন্স হিসেবে কাজ করছে। এই স্তরের উপরে যদি সূচক শক্তভাবে ক্লোজ করতে পারে, তাহলে স্বল্পমেয়াদে বাজারে আরও ইতিবাচক গতি আসতে পারে এবং পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে ২৬,০০০ থেকে ২৬,১০০ পয়েন্ট পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে এই স্তরের উপরে টিকে থাকতে না পারলে প্রফিট বুকিং বাড়ার ঝুঁকিও রয়েছে, যার ফলে সূচক ফের নীচের দিকে চাপের মুখে পড়তে পারে।
ডেরিভেটিভ মার্কেটের তথ্যও ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ২৫,৯০০ থেকে ২৬,০০০ জোনে উল্লেখযোগ্য কল অপশনের ওপেন ইন্টারেস্ট রয়েছে। এর মানে, অনেক ট্রেডার এই এলাকাকে শক্ত রেজিস্টেন্স হিসেবে দেখছেন এবং এই স্তরে পৌঁছলে বিক্রির চাপ বাড়তে পারে। নিচের দিকে ২৫,৭০০ থেকে ২৫,৭৫০ পয়েন্ট অঞ্চলকে তাৎক্ষণিক সাপোর্ট হিসেবে ধরা হচ্ছে।




