Article By – সুনন্দা সেন

ভারতের প্রাথমিক পাবলিক অফার (IPO) মার্কেট এই বছর বেশ জমজমাট। প্রচুর সংখ্যক ফাইলিং, রেকর্ড তহবিল সংগ্রহ এবং শক্তিশালী ইস্যুর মাধ্যমে দৃঢ় প্রাথমিক বাজার। যা একাধারে কোম্পানিগুলির আস্থা এবং বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। প্রাইম ডেটা অনুসারে, ১ অক্টোবর,২০২৪ থেকে এই বছরের ২৪ অক্টোবরের মধ্যে ২৮৮টি কোম্পানি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া বা সেবির কাছ থেকে ৪.১৮ লক্ষ কোটি টাকার সংগ্রহের সর্বোচ্চ আবেদন করেছে। এর মধ্যে ১৭৪টি কোম্পানি মোট ২.৭১ লক্ষ কোটি টাকার নিয়ন্ত্রক অনুমোদন পেয়েছে।
চলতি বছরের এই পর্যন্ত ১১১টি IPO-এর সাবস্ক্রিপশন চালু হয়েছে, যা সম্মিলিত ভাবে ২.১৮ লক্ষ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে ২০২৪ সালের অক্টোবরের মধ্যে ১৩৩টি কোম্পানি তাদের ড্রাফ্ট রেড হেরিং প্রসপেক্টাস বা DRHPS জমা দিয়েছে। যার মধ্যে ২.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল। সেবি ১.৫৫ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের ১০০টি ইস্যুর অনুমোদন করেছে এবং তার মধ্যে ৮৫টি IPO বাজারে এসছে। আর তারা ০.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। তবে এই বছরের উচ্চ মূলধন সংগ্রহ IPO দ্বারা, একটি তীব্র পদক্ষেপ।
IPO বাজারের শক্তিশালী প্রদর্শনের ফলে ২০২৫ সালে মেগা IPO দেখা গেছে। যেমন- টাটা ক্যাপিটাল, LG ইলেকট্রনিক্স ইন্ডিয়া ইত্যাদি। এছাড়া মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে ইক্যুটিতে ডোমেস্টিক বা দেশীয় বিনিয়োগকারীদের উচ্চ হারে বিনিয়োগ কোম্পানিগুলিকে বৃহত্তর এবং ফ্রিকুয়েন্টলি IPO চালু করতে সক্ষম করেছে। ইক্যুইরাস ক্যাপটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং – এর প্রধান ভাবেশ সাহ বলেছেন, ভারতের বাজারে মেরুদন্ড হল ডোমেস্টিক লিক্যুইডিটি। প্রতিমাসে প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকা IPO প্রবাহের সাথে আসসে, যা বিদেশী বিনিয়োগকারীদের উপর কাজের নির্ভরতা হ্রাস করে।




