Article By – সুনন্দা সেন

ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড, উভয়ের মাধ্যমেই শেয়ারে বিনিয়োগে মাধ্যম সঞ্চয় হয়ে থাকে। অন্যদিকে বিদেশী প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বা FIIs (Foreign Institutional Investor) মূলধন প্রত্যাহার অব্যাহত রেখেছে। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই প্রত্যাহার বজায় রেখেছে। জানা যাচ্ছে, বিদেশী বিনিয়োগকারীরা ২০২৫ সালের প্রথম ৭টি ব্যবসায়িক দিনে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের শেয়ার ভারতীয় শেয়ার বাজার থেকে অফলোড করেছে। তবে ভারতীয় শেয়ারের জন্য বিশ্বব্যাপী ঝুঁকির প্রবণতা এখন কম বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশ্বব্যাপী ব্রোকারেজ ফার্ম HSBC ২০২৫ সালের জন্য ভারতের মুনাফা হ্রাস এবং উচ্চ মূল্যায়নের কথা উল্লেখ করে সেনসেক্সের লক্ষ্যমাত্রা ৮৫,৯৯০-এ নামিয়ে এনেছে। FII কোনো ভারতীয় শেয়ার বিক্রি বা অফলোড করছে তার কারণগুলি উল্লেখ করা হল:
- টানা ৪ বছর ধরে দ্বি-অংকের ভালো প্রবৃদ্ধির পর, ভারতীয় কোম্পানিগুলির গত দুই ত্রৈমাসিকে আয়ের হার হ্রাস পেয়েছে। আর ব্রোকারেজগুলি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য এই প্রবৃদ্ধি একক অঙ্কে দেখতে পাচ্ছে।
- ডলার ইডেক্স প্রায় ১০৯-এ থাকায় ভারতীয় রুপির মূল্য ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। গতকাল রুপি সর্বনিম্ন ৮৫.৯৩-এ পৌঁছেছে। মুদ্রা বিনিময় হার এবং বিদেশী বহির্গমন উভয়ই কারণ এবং উভয়ই একে অপরের সাথে সম্পর্কিত।
- বিশ্লেষকরা বলছেন, ১০ বছরের মার্কিন ট্রেজারি ইয়েলড ৪.৭৩%-এ পৌঁছেছে। যা এপ্রিলের পর থেকে সর্বোচ্চ স্তর। ফেড জানুয়ারিতে সুদের হার ধরে রাখতে পারে, যার ফলে ডলার আরও শক্তিশালী হবে এবং বন্ড ইয়েলড বাড়বে।
- ২০ জানুয়ারিতে ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর তার নীতিগত পরিবর্তনের চূড়ান্ত প্রভাবের উপর নির্ভর করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। যার ফলে চীনের মতো ইক্যুইটি মার্কেটে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। যা ভারতকে দুর্বল করে তুলতে পারে।
আরেকটি দৃষ্টিভঙ্গি হল যে, মার্কিন বাজার বা মার্কেট প্রচুর বৈশ্বিক মূলধন আকর্ষন করছে। যার ফলে ভারতের মতো উদীয়মান বাজারগুলি থেকে অর্থ বেরিয়ে যাচ্ছে।




