Article By – সুনন্দা সেন

তিন মাসেরও বেশি সময়ের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছানোর পর আজ (২৫ আগস্ট, ২০২৬) সোনার দামে সামান্য পতন দেখা গেল। স্পট গোল্ডের দাম ০.২% কমে প্রতি আউন্সে ৪,৬৪০.৩৯ ডলারে নেমেছে। যদিও মার্কিন গোল্ড ফিউচার প্রায় ৪,৬৯৬ ডলারে স্থির ছিল। এর আগে সোনা মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের পর সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিল। আর এমন অবস্থায় বাজারের নজর এখন মূলত মার্কিন মূল্যস্ফীতির তথ্য এবং এই সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শের জ্যাকসন হোল বক্তৃতার দিকে।
এই তথ্য ও বক্তব্য থেকেই আগামী দিনে ফেড সুদের হার নিয়ে কতটা কঠোর বা নমনীয় অবস্থা নেবে, তার ইঙ্গিত মিলতে পারে। মূল্যস্ফীতি কম থাকার প্রমাণ মিললে সুদ কমানোর প্রত্যাশা বাড়তে পারে, যা সাধারণত সুদ না দেওয়া সম্পদ অর্থাৎ সোনার জন্য ইতিবাচক। আর সোনার সাম্প্রতিক উত্থানের পেছনে ছিল দুর্বল মার্কিন ডলার, ট্রেজারির দীর্ঘমেয়াদি বন্ড বাইব্যাক পরিকল্পনা এবং কমে আসা বন্ড ইয়েল্ড। এদিকে গত সপ্তাহেই বুলিয়ানের দাম ৫%-এর বেশি বেড়েছিল। তবে এখন এত দ্রুত বৃদ্ধির পর কিছুটা প্রফিট-বুকিং ও একত্রীকরণ (Consolidation)–এর সম্ভাবনাও রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িক পতন হলেও সোনার প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বজায় থাকতে পারে। IG-এর টান সাইকামোর মনে করছেন, এই ধরনের পতনে ক্রেতা আসতে পারে এবং পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ উর্ধ্বমুখী প্রতিরোধ ৪,৯০০ ডলার থেকে ৫০০০ ডলারের অঞ্চলে হতে পারে। এমন অবস্থায় সোনার পরবর্তী দিক অনেকটাই নির্ভর করবে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির তথ্য, ডলার ও ট্রেজারি ইয়েল্ডের গতিপথের ওপর। আর মূল্যস্ফীতি স্থিতিশীল হলে এবং ইয়েল্ডস কমলে সোনার র্যালি আরও শক্তিশালী হতে পারে। বিপরীতে আবার ফেডের কঠোর অবস্থানের আশঙ্কায় সোনায় চাপ তৈরি হতে পারে।




