Article By – সুনন্দা সেন

ভারতের শেয়ারবাজারে নতুন CAS (Closing Auction Session) চালুর পর অপশন ট্রেডাররা ঝুঁকি কমাতে শুরু করেছেন। ৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে চালু হওয়া এই ব্যবস্থায় দিনের শেষের নির্দিষ্ট সময় অকশনের মাধ্যমে অফিসিয়াল ক্লোজিং প্রাইস নির্ধারণ করা হচ্ছে। কিন্তু শেষ ১৫–২০ মিনিটে অস্বাভাবিক প্রাইস সুইং হওয়ায় এক্সপাইরির সময় বাজারের শেষ দাম অনুমান করা কঠিন হয়ে পড়েছে। যার প্রভাব পড়েছে ডেরিভেটিভস ট্রেডিং (derivatives trading)-এ।
জেফেরিসের হিসাবে, আগস্টে ভারতের গড় দৈনিক অপশন টার্নওভার (average daily options turnover) আগের মাসের তুলনায় প্রায় ২০% কমেছে। কিছু অ্যালগরিদমিক ট্রেডিং ফার্ম তাদের এক্টিভিটিস ৩৫%–৪০% পর্যন্ত কমিয়েছে। ট্রেডাররা এখন বড় পজিশন নেওয়ার বদলে ছোট পজিশন এবং অতিরিক্ত হেজ ব্যবহার করছেন, যাতে আকশানের সময় হঠাৎ বাজার ঘুরে গেলে ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
২৭ আগস্ট সেনসেক্স মাসিক এক্সপায়ারি সময় ক্লোজিং অকশনে সূচকের ইন্ডিকেটিভ লেভেলে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যায়। এক ট্রেডারের রিপোর্টেড লোকসান নিলাম চলাকালীন প্রায় ৫০,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩.৮৮ লাখ টাকাতে পৌঁছেছিল। যদিও তিনি ছোট পজিশন ও হেজ ব্যবহার করেছিলেন। NSE-র ক্লোজিং অকসানে প্রায় ৪.১ বিলিয়ন ডলারের ট্রেড হয়, যেখানে সাধারণ দিনে এই সময়ের প্রবাহ (flow) ছিল প্রায় ১২৮ মিলিয়ন ডলার। যার ফলে লিক্যুইডিটি কম থাকলে বড় প্রতিষ্ঠানিক অর্ডার কীভাবে ক্লোজিং প্রাইসকে প্রভাবিত করতে পারে, তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
বাজার বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে অপশন ট্রেডিং এখন আগের তুলনায় বেশি অনিশ্চিত হতে পারে। বিশেষ করে শেষ দিন (expiry day)-তে বড় লিভারেজ বা নিম্নতম অবস্থান (naked position) নেওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে। তাই ট্রেডারদের মধ্যে ছোট পজিশন, বেশি হেজিং এবং ক্লোজিং অকশানের আগে এক্সপোজার (এক্সপোজার) কমিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। SEBI (Securities and Exchange Board of India) অবশ্য জানিয়েছে, নতুন ব্যবস্থা চালু থাকবে এবং অপশনাল সমস্যাগুলি পর্যালোচনা করা হবে।




