Article By – সুনন্দা সেন

ভারতীয় শেয়ারবাজার বর্তমানে এমন এক পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে স্টক ভ্যালুয়েশন তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও আয়ের বৃদ্ধি (earning growth) ধীর, এই পরিস্থিতিকে বিশ্লেষকরা “হাই ভ্যালুয়েশন, লো গ্রোথ” নামে একটি ঝুঁকিপূর্ণ ম্যাক্রোফেজ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। এর ফলে বাজারে বড় র্যালির বদলে সাইডওয়ে মুভমেন্ট ও ভোলাটিলিটি দেখা যাচ্ছে। আরও জানা যাচ্ছে যে, বাজার এখন একটি ‘কনসোলিডেশন জোন’- এ রয়েছে। যেখানে দিকনির্দেশ নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ আয়ের প্রবৃদ্ধিও বৈশ্বিক ঝুঁকি পরিস্থিতি উপর।
আজকের ট্রেডিং সেশনে সেনসেক্স ও নিফটি, দুই সূচকই চাপের মুখে পড়ে। BSE সেনসেক্স ৮৯৩.৩৯ পয়েন্ট বা ১.১৬% কমে ৭৬,২০০.৬৮-এ বন্ধ হয়েছে এবং নিফটি৫০ ২৭৮.৮০ পয়েন্ট বা ১.১৬% হ্রাসের সাথে ২৩,৮২৪.১০-এ লেনদেন শেষ করেছে। IT ও মেটাল সেক্টরের দুর্বল পারফর্ম্যান্স, দুর্বল দেশীয় ব্যবসায়িক তথ্য এবং অনিশ্চিত মনসুন পরিস্থিতি বাজারকে বাজারের পতনের মূল কারণ। প্রায় ১৬টি বড় সেক্টরের মধ্যে ১৪টি সেক্টর রেড জোনে লেনদেন শেষ করেছে, যা বাজারের দুর্বল বিস্তৃতি নির্দেশ করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাংকিং, কনজাম্পশন ও ডিফেন্স মতো ভারতের কিছু সেক্টর এখনও প্রিমিয়াম ভ্যালুয়েশনে ট্রেড করছে, কিন্তু IT ও রিয়েল এস্টেটের মতো সেক্টরে চাপ রয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের (FII) টানা আউটফ্লো এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা এই ভ্যালুয়েশন গ্যাপকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। অন্যদিকে, কিছু ব্রোকারেজ হাউস মনে করছে যে দীর্ঘমেয়াদে ভারতের গ্রোথ স্টোরি এখনও শক্তিশালী এবং ব্যাংকিং ও ডিজিটাল সেক্টরে কাঠামোগত চাহিদা বজায় আছে।




