Article By – সুনন্দা সেন

লাগাতার পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে ভারতীয় শেয়ার বাজারে। মার্কিন বাজারের দুর্বলতা এবং শুল্ক সম্পর্কিত উদ্বেগ বিনিয়োগকারীদের আস্থার উপর প্রভাব ফেলেছে। চলতি সপ্তাহে শেষ ট্রেডিং ডে অর্থাৎ শুক্রবারে শেয়ার বাজারের মূল দুই সূচক রেড জোনে বন্ধ হয়েছে। যার প্রভাব অন্যান্য সেক্টরে পড়লেও বিশেষ ভাবে প্রভাব ফেলেছে অটো সেক্টরের স্টকে। এছাড়া বিদেশী বিনিয়োগকারীদের তহবিল প্রত্যাহার অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার, BSE সেনসেক্স ৪২৪.৯০ পয়েন্ট বা ০.৫৬% কমে ৭৫,৩১১.০৬-এ বন্ধ হয়েছে। আর NSE নিফটি ১১৭.২৫ পয়েন্ট বা ০.৫১% কমে ২২,৭৯৫.৯০-এ দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি হ্রাস পাচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া বা RBI জানিয়েছে, তিন সপ্তাহের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধির রেকর্ড ভেঙে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ শেষ হওয়া সপ্তাহে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ (Forex Reserves) ২.৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কমে ৬৩৫.৭২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তার ঠিক আগের সপ্তাহে রিচার্জ ৭.৬৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেড়ে ৬৩৮.২৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছে ছেল। রুপির অস্থিরতা কমাতে RBI কর্তৃক বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে হস্তক্ষেপ করছে। যার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে। প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ফরেন কারেন্সি অ্যাসেট ৪.৫১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কমে ৫৩৯.৫৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
ফরেন কারেন্সি অ্যাসেটের মধ্যে ইউরো, পাউন্ড এবং ইয়েনের মতো বিদেশী মুদ্রা থাকাকালীন বিদেশী মুদ্রার অবমূল্যায়ন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া RBI জানিয়েছে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সর্বকালের সর্বোচ্চ ৭০৪.৮৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পর এটি সবচেয়ে বড় পতন। শুধু তাই নয়, অন্যদিকে আবার ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়া সপ্তাহে গোল্ড রিজার্ভ ১.৯৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেড়ে ৭৪.১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। স্পেশাল ড্রইং রাইটস বা SDRs ১ কোটি ৯০ লক্ষ মার্কিন ডলার বেড়ে ১৭.৮৯৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।




