Article By – সুনন্দা সেন

আজকের (২২জুলাই, ২০২৬) ট্রেডিং সেশনের শুরুতেই তীব্র চাপের মুখে পড়েছিল ভারতীয় শেয়ারবাজার। একসময় সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই বড় পতনের মুখে ছিল। তবে দিনের শেষ ভাগে শক্তিশালী রিকভারি দেখা যায়। দিনের সর্বনিম্ন স্তর থেকে সেনসেক্স প্রায় ২০০ পয়েন্ট ঘুরে দাঁড়ায় এবং নিফটি৫০ আবারও ২৪,০০০-এর উপরে উঠে আসে, যার ফলে দিনের ক্ষতির বড় অংশ রিকভার করতে সক্ষম হয়েছে। আর এই ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে চারটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ কাজ করছে। আর সেগুলি হল–
- প্রথমত, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের শেয়ারে কেনাকাটা বাড়ছে। বিশেষ করে বড় বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক পরিষেবা সংস্থার শেয়ারে ক্রেতাদের আগ্রহ বাজারকে সমর্থন করছে।
- দ্বিতীয়ত, দেশীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বা DII-এর সক্রিয় কেনাকাটা বাজারে বড় ধরনের পতন ঠেকাতে সাহায্য করে। তাদের ধারাবাহিক বিনিয়োগ বাজারে আস্থার ও ইতিবাচক প্রবণতার বার্তা দেয়।
- তৃতীয়ত, বিদেশী বাজারে স্থিতিশীলতা বিনিয়োগকারীদের মনোভাব উন্নত করে। এশিয়ার কয়েকটি বাজারে চাপ কমে আশায় ভারতীয় বাজারেও আতঙ্ক কিছুটা প্রশমিত হয়।
- চতুর্থত, IT ও নির্বাচিত লার্জ ক্যাপ শেয়ারে ভ্যালু বাইং দেখা যায় দিনের শেষ দিকে। সাম্প্রতিক পতনের পরে অনেক বিনিয়োগকারী কম দামে ভালো মানের শেয়ার কেনার সুযোগ হিসেবে বাজারকে ব্যবহার করায়ও ইঙ্গিত বদলেছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, অপরিশোধিত তেল বা ক্রড অয়েলের উচ্চ দাম, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বিদেশী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (FIIs) অবস্থান এখনও বাজারের জন্য ঝুঁকির কারণ। তাই স্বল্পমেয়াদে বাজারে অস্থিরতা বজায় থাকতে পারে। এমন এক সময় বিনিয়োগকারীদের জন্য বার্তা, বাজারে রিকভারি হলেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি। যার ফলে বিনিয়োগের আগে কোম্পানির মৌলিক ভিত্তি (Basic Foundation)। মূল্যায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।




