বর্তমানে বিনিয়োগ বিকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম হল মিউচ্যুয়াল ফান্ড। অবশ্য বিপুল সংখ্যক মানুষ এই ক্ষেত্রটিতে বিনিয়োগ করলেও অনেকাংশ রয়েছেযারা এখনও মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে ভয় পান। তবে এই বিনিয়োগ বিকল্পে বিনিয়োগ থেকে ভাল রিটার্ন মেলে। যার দরুন অর্থে ফুলে ফেপে উঠতে পারেন বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন, না হলেই ঝুঁকির সাথে লোকসানের সম্মুখীন হতে পারেন। মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলি বিভিন্ন মেয়াদের হয়ে থাকে। আর মেয়াদপূর্তির পরআপনারা চাইলে অনলাইন বা অফলাইনেও টাকা তোলার সুযোগ পাবেন। তবে টাকা তোলারও সময়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়। না জানলে পড়তে পারেন বিপদে।

শেয়ার বাজারের মতো মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি লক্ষ্য করা যায়। এমন অবস্থায় স্থির রিটার্ন না পাওয়ার প্রবণতা থাকে বেশি। অবশ্য বর্তমানে স্থির রিটার্ন পেতে আর ফিক্সড ডিপোজিট ও রেকারিং ডিপোজিট নয়, বিনিয়োগ করুন Central Government schemes এ। বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে যেমন কোনো প্রকার ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হয় না। তেমন প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে ভারত সরকার স্কিম চালু করেছেন। এই যেমন ধরুন: কিষাণদের জন্যে, অপসর গ্রহণের পরের জীবনের জন্যে, মহিলাদের জন্যে, শিশু কন্যা সন্তানদের জন্য, কারিগরদের জন্যে, চাকুরিরত মানুষদের জন্য ইত্যাদি উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে Central Government schemes। আপনার জন্যে কোন স্কিমটি সঠিক এবং স্কিম গুলি কী কী সুবিধা দিচ্ছে [জানতে এক্ষুনি লিংকে ক্লিক করুন:]।
চলুন তবে দেখে নেওয়া যাক রিডিম করার আগে কোন কোন বিষয় জানা দরকার। অবশ্য নীচে আলোচিত বিষয়গুলি মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার আগেও জেনে নেওয়া আবশ্যক।-
- রিডেম্পশন পদ্ধতি:- বিনিয়োগকারীরা মিউচ্যুয়াল ফান্ড থেকে কীভাবে টাকা তুলবেন বা তুলতে চান, সেই বিষয় নিজেরাই সীদ্ধান্ত নিতে পারেন। তাঁরা ফিজিক্যাল সার্টিফিকেট এবং ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের মধ্যে যে কোনও একটা বিকল্প বেছে নিতে পারেন।
- মিউচ্যুয়াল ফান্ড রিডেম্পশন প্রক্রিয়া:- কীভাবে টাকা তুলবেন আপনি ঠিক করলেও প্রত্যেক ফান্ডের রিডেম্পশনের প্রক্রিয়া পৃথক হয়,তাই প্রক্রিযাটা মাথায় রাখা আবশ্যক। আর বিনিয়োগ করার আগে সম্পূর্ণ রিডিম্পশন প্রক্রিয়া বোঝার পর বিনিয়োগ এবং বিনিয়োগ করা হয়ে গেলে টাকা তোলা উচিৎ।

- হোল্ডিং পিরিয়ড:- যে কোনো ফান্ডে বিনিয়োগ করা নির্দিষ্ট সময় থাকে, যাকে হোল্ডিং পিরিয়ড বলা হয়। ওপেন এন্ডেড ফান্ড বাদে এই সময়ের আগে টাকা তোলা যায় না। আর যদি কেউ হোল্ডিং পিরিয়ডের আগে টাকা তুলে নেন, তাহলে এক্সিট চার্জ দিতে হবে। আর তা সাধারণ অনেকটা বেশি হয়।
- এক্সিট চার্জ:- প্রত্যেক মিউচ্যুয়াল ফান্ডে রিডেমশনের প্রক্রিয়ার মতো এক্সিট চার্জও ভিন্ন ভিন্ন হয়। তাই টাকা তোলার সময় কখন এক্সিট চার্জ লাগে না এবং লাগলে ঠিক কত দিতে হয় তা জানা উচিত।
(আপনাদের জেনে রাখা ভালো যে, এখানে শেয়ার বাজার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংক্রান্ত কেবল তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করি। বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকি সাপেক্ষ। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। আমরা কোনো স্টকে, Mutual fund- এ বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়ে থাকি না। আমাদের উদ্দেশ্য কেবল তথ্য এবং বাজার সংক্রান্ত খবর আপনাদের অব্দি পৌঁছে দেওয়ার।)




