Article By – সুনন্দা সেন

আজকের ট্রেডিং সেশনে ভারতীয় শেয়ারবাজার বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে এবং দিনের শেষে সেই চাপ আরও স্পষ্টভাবে ধরা দেয়। সেনসেক্স ও নিফটি; দুই প্রধান সূচক রেড জোনে লেনদেন শেষ করে। যা বাজারের সামগ্রিক মনোভাবকে দুর্বল বলে ইঙ্গিত দেয়। দিনের শুরু থেকেই বাজারে অস্থিরতা ছিল। বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের আসন্ন নীতিনির্ধারণী বৈঠক নিয়ে উদ্বেগ, এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাড়তি বিক্রির প্রবণতা, সব মিলিয়ে দেশীয় বাজারে দুশ্চিন্তা আরও গভীর হয়। দুপুরের পর বিক্রির চাপ বাড়তে থাকে, এবং শেষ ঘণ্টায় তা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
BSE সেনসেক্স দিনের শেষে প্রায় ৬১০ পয়েন্ট পড়ে যায়, যা ০.৭১% পতন নির্দেশ করে। অন্যদিকে NSE নিফটি ৫০ নেমে যায় ২৬,০০০-এর নিচে, প্রায় ২৫,৯৬০-এর কাছাকাছি স্থানে ক্লোজ করে, যা ০.৮৬% পতনের সমান। বাজারে আজ প্রায় সব সেক্টরেই পতন দেখা গেছে—বিশেষ করে রিয়েলটি, মেটাল, IT, এবং ব্যাংকিং সেক্টরে উল্লেখযোগ্য বিক্রি লক্ষ্য করা যায়। এদিকে এভিয়েশন সেক্টরেও চাপ অব্যাহত ছিল, IndiGo-র ধারাবাহিক পতন বাজারে আরও নেতিবাচক প্রবণতা তৈরি করে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি মূলত বৈশ্বিক দুশ্চিন্তা থেকে উদ্ভূত—বিশেষ করে মার্কিন ফেড সুদের হার কমাবে কি না, সেই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এছাড়া বিদেশি ফান্ডগুলোর বিক্রি এবং লাভবুকিং, বাজারের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাকে আরও প্রকট করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি মূলত বৈশ্বিক দুশ্চিন্তা থেকে উদ্ভূত—বিশেষ করে মার্কিন ফেড সুদের হার কমাবে কি না, সেই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এছাড়া বিদেশি ফান্ডগুলোর বিক্রি এবং প্রফিট বুকিং বাজারের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাকে আরও প্রকট করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরপর কয়েক সপ্তাহের দ্রুত উত্থানের পর বাজার এখন স্বাভাবিকভাবেই একটি তীব্র সংশোধন পর্বে ঢুকেছে বলেও। বিনিয়োগকারীদের জন্য আজকের বার্তা,এখন বাজারে সতর্ক থাকা জরুরি। যেসব সেক্টরে অতিরিক্ত ভোলাটিলিটি রয়েছে, সেখানে নতুন বিনিয়োগ আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য মানসম্পন্ন ব্লু-চিপ শেয়ারে ধাপে ধাপে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।




