Article By – সুনন্দা সেন

আজকের শেয়ারবাজারের ক্লোজিং বেল-এ নিফটি ৫০ সূচক ২৬,০৫২.৬৫ পয়েন্টে বন্ধ হয়েছে, যা প্রায় ১৪২ পয়েন্ট বা ০.৫৫% বেড়েছে। সেনসেক্সও শক্তিশালী রিবাউন্ড দেখিয়ে ৫১৩ পয়েন্ট এগিয়ে ৮৫,১৮৬.৪৭ পয়েন্টে দিন শেষ করেছে। বাজারে এই উত্থান মূলত IT স্টকগুলোর শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কারণে লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ইনফোসিস ও HCL টেকের ভালো স্টকের বৃদ্ধি বাজারকে রিবাউন্ড করতে সাহায্য করেছে। যদিও স্মল-ক্যাপ সূচক কিছুটা দুর্বল ছিল, তবুও সামগ্রিকভাবে বাজারে মিশ্র অংশগ্রহণ দেখা গেছে। বৈশ্বিক বাজারের দুর্বল মনোভাব থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় বাজার দিনের শেষে ভালো রিকভারি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারে চাপ থাকলেও দেশীয় লেনদেনে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল বলে ভারতীয় IT স্টকের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়তে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারের দুর্বল সংকেত এবং মার্কিন সুদের হারের অনিশ্চয়তার মধ্যেও এই খাতের শেয়ারের উচ্চ লেনদেনের দ্বারা ভারতীয় বাজার শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি, আর্থিক বা ফাইন্যান্স সেক্টরেও কিছুটা শক্তি দেখা গেছে, যা সামগ্রিক রিবাউন্ডে সহায়তা করেছে। Nifty-র ২৬,০০০ পয়েন্টের ওপরে থাকা বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক সেন্টিমেন্ট তৈরি করেছে এবং বাজারকে দিনশেষে ধারাবাহিকভাবে সবল রাখে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী দিনে বাজারের দিকনির্দেশ নির্ভর করবে নিফটির গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট জোন ২৫,৭০০–২৫,৮০০ পয়েন্ট ধরে রাখতে পারে কি না এবং ২৬,০০০–এর ওপরে স্থায়ীভাবে ব্রেকআউট করতে পারে কি না তার ওপর। এই স্তরগুলো স্থিতিশীল থাকলে বাজারে আরও ঊর্ধ্বমুখী ধারার গতিতে এগোনোর সম্ভাবনা বাড়বে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রবাহ, কর্পোরেট আর্নিংসের গতি এবং সেক্টরভিত্তিক পারফরম্যান্সও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। বৈশ্বিক বাজারের দিক থেকেও মার্কিন ফেডের ডেটা ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ইভেন্টগুলির প্রভাব সরাসরি ভারতীয় বাজারে পড়তে পারে। তাই আসন্ন সপ্তাহগুলোতে গ্লোবাল কিউ, সুদের হারসংক্রান্ত খবর এবং বাজারে নতুন কোনো ট্রিগার আসছে কি না — এগুলোই নজরে রাখার বিষয়।




