Article By – সুনন্দা সেন

বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ারবাজারে আত্মপ্রকাশের পথে ইলন মাস্কের স্পেস ও প্রযুক্তি সংস্থা স্পেসএক্স (SpaceX)। কোম্পানির সম্ভাব্য IPO বা প্রাথমিক পাবলিক অফারের মূল্যায়ন (Valuation) ধরা হয়েছে প্রায় ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার। যা সফল হলে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় IPO-গুলির মধ্যে একটি হবে। আর এই IPO-এর সবচেয়ে বড় চমক হলো, কর্মীদের সম্পদ বৃদ্ধি। বিভিন্ন বিশ্লেষণ অনুযায়ী,স্পেসএক্সের বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মীরা মিলিয়নেয়ার হতে পারেন। শুধু তাই নয় প্রায় ৪০০ কর্মীর হাতে থাকা শেয়ারমূল্য ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশী হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরেই কর্মীদের নগদ বেতনের পাশাপাশি কোম্পানির শেয়ার দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। ফলে কোম্পানির মূল্য দ্রুত বাড়ার সঙ্গে প্রকৌশল, প্রযুক্তিবিদ, কারখানা কর্মী থেকে শুরু বিভিন্ন স্তরের কর্মীরাও এই সম্পদ বৃদ্ধির সুবিধা পাচ্ছেন। একজন প্রাক্তন স্পেসএক্স ইঞ্জিনিয়ার ট্রেভর হাইস (Trevor Hise) ২০১১ সালে কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর কাছে থাকা ১ লক্ষেরও বেশি শেয়ারের সম্ভাব্য মূল্য IPO-র দামে দাঁড়াতে পারে কমপক্ষে ১৩.৫ মিলিয়ন ডলার। এটি দেখাচ্ছে যে কোম্পানির প্রাথমিক পর্যায়ে যোগ দেওয়া কর্মীরা কত বড় আর্থিক সুবিধা পেতে চলেছেন।
অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের হাতে রয়েছে কোম্পানির প্রায় ৪২% মালিকানা। অর্থাৎ ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলারের মূল্যায়নে তাঁর অংশীদারির মূল্য প্রায় ৭৪০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই IPO-র পর তিনি বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হওয়ার আরও কাছাকাছি পৌঁছে যাবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্পেসএক্সের এই IPO শুধু একটি কোম্পানির শেয়ারবাজারে প্রবেশ নয়, বরং প্রযুক্তি, মহাকাশ শিল্প এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে নতুন বিনিয়োগের ওয়েভ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এটি ২০২৬ সালের বৈশ্বিক IPO বাজারের গতিপথও বদলে দিতে পারে।




