buzywithinfoBuzy With Info
Everything About Business
Share Market Crash

শেয়ার মার্কেট ক্র্যাশ? চিন্তা না করে এই কৌশলগুলি মেনে চলুন

যাঁরা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করেন তাঁরা নিজেদের বিনিয়োগ যাত্রায় কখনও না কখনও মার্কেট ক্র্যাশের সম্মুখীন হয়েছেন নিশ্চয়ই। মার্কেট ক্র্যাশ বা বাজারের নিম্নমুখী হওয়া আটকানো যাবে না। কিন্তু সেইসময় আপনি কেমনভাবে পুরো বিষয়টিকে চালনা করছেন সেটা অবশ্যই আপনার ভবিষ্যত বিনিয়োগে প্রভাব ফেলবে। আমরা আজকে এমনই কয়েকটি বিষয় জানাব যেগুলি market crash-এর সময়ে আপনি মেনে চললে আপনার আর্থিক ক্ষতি আটকাতে পারবেন।

প্রথমেই আপনাকে বুঝতে হবে মার্কেট ক্র্যাশ শেয়ার বাজারের সাধারণ একটি বিষয়। ইতিহাসেও আমরা প্রচুর মার্কেট ক্র্যাশের সাক্ষী থেকেছি এবং ভবিষ্যতেও এটি থাকবে। সাধারণত বাজার 20% বা তার বেশি নিম্নমুখী যখন হয় তাকেই মার্কেট ক্র্যাশ বলে। ফলে এইধরনের ঘটনা শেয়ার বাজারে ঘটবেই, এমন মানসিকতা নিয়েই শেয়ার বাজারে ঢোকা উচিত। এবং সেই মুহূর্তে বিচক্ষণতার সঙ্গে সবকিছু পরিচালনা করা উচিত। 

9

Margin ব্যবহার করে শেয়ার কিনবেন না :  শেয়ার বাজারে margin buying কখনও করবেন না। Margin buying-এ আপনি ব্রোকারের থেকে টাকা ধার নিয়ে শেয়ার কেনেন। এতে যেমন বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলে মুনাফার পরিমাণ প্রচুর বেড়ে যায়, তেমনই ডাউন মার্কেটে প্রভূত ক্ষতি হয়। আপনাকে প্রচুর লস নিয়ে বিক্রি করতে হয় এবং আপনার নেওয়া লিভারেজ বা margin ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়। সেই কারণে আপনার কাছে যা ফান্ড রয়েছে, তা ব্যবহার করেই বিনিয়োগ করুন। 

→ Force sell বা panic sell করবেন না :  মার্কেট ক্র্যাশ করলে অনেক বিনিয়োগকারীই ভরসা রাখতে না পেরে প্রচুর লস নিয়ে ট্রেড থেকে exit করেন। এটা একদম করা উচিত না। যতক্ষণ আপনি দীর্ঘমেয়াদের জন্য শেয়ার কিনে রেখেছেন ততক্ষণ আপনার প্যানিক সেল করা উচিত নয় কারণ অতীতেও দেখা গেছে মার্কেট যখনই correction হয়েছে সেখান থেকে বাউন্স ব্যাক করে ফিরেও এসেছে। সুতরাং আপনার সেভিংস যথেষ্ট থাকলে এবং হাতে যথেষ্ট লিক্যুইডিটি থাকলে ডাউন মার্কেটে প্যানিক সেল কখনও করবেন না। 

4

ব্যবসার ফান্ডামেন্টাল দেখুন :  যে-কোনো বিনিয়োগ যখন করবেন সেই সময় শুধুমাত্র শেয়ার দামের উপর সমস্ত নজর না দিয়ে কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস ভালোভাবে করুন। কোম্পানির শেয়ারের দাম চাহিদা আর জোগানের জন্য বাড়ে কমে, কিন্তু কোম্পানির বিজনেস মডেল যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে কোম্পানি ভালো ফল করবেই। তখন স্বল্পমেয়াদের শেয়ারের দামের ওঠানামা খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। কোম্পানির রেভিনিউ গ্রোথ দেখুন, দেখুন প্রফিট প্রতি ত্রৈমাসিকে বাড়ছে কিনা, ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে কারা রয়েছে ইত্যাদি বিষয়গুলি পর্যালোচনা করুন। শেয়ারে বিনিয়োগকে প্রপার্টি কেনার সঙ্গে তুলনা করুন। প্রপার্টির ভ্যালু প্রতিদিনের ওঠানামায় খুব একটা প্রভাবিত হয় না যতক্ষণ প্রপার্টির income জেনারেট করার ক্ষমতা থাকে। যে কোম্পানির ঋণ কম, আর্থিক পরিস্থিতি দারুণ সেগুলি লং রানে ভালো ফল করে। 

 শেয়ারের কম দামের সুযোগ নিন :  শেয়ারের দাম কমে যাওয়াকে কাজে লাগিয়ে down market-এ ফান্ডামেন্টালি শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ার আরও কেনা যেতে পারে। কারণ মার্কেট নিম্নমুখী হলেও কোম্পানি ফান্ডামেন্টালের কিন্তু কোনো পরিবর্তন হয়নি। শেয়ারের দাম সাময়িকভাবে কমেছে কিন্তু কোম্পানির আর্থিক পরিস্থিতি এখনও যথেষ্ট ভালো রয়েছে। এইরকম কোম্পানির স্টক market crash-এ বেশি করে কেনা উচিত, কারণ আপনি একপ্রকার discount-এ পাচ্ছেন শেয়ারগুলি।

BWI 600 x 200

Leave a Reply

Discover more from Buzy With Info

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading