Article By – সুনন্দা সেন

বিদেশী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বা FIIs ক্রমাগত শেয়ার বিক্রি এবং দুর্বল বৈশ্বিক ইঙ্গিত বিনিয়োগকারীদের মনোভাবকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। যার কারণে আজ (৩১ অক্টোবর) শুক্রবার ইক্যুইটি বেঞ্চমার্ক সেনসেক্স এবং নিফটির ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দুপুর ১২টা নাগাদ BSE সূচক সেনসেক্স ১৬০.৭৩ পয়েন্ট বা ০.১৯% কমে ৮৪,২৪৩.৭৩-এ দাঁড়িয়েছে। যেখানে NSE-এর সূচক নিফটি ৫৮.৬০ পয়েন্ট বা ০.২৩% কমে ২৫,৮১৯.২৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। আজকে সকাল থেকে দুপুরের ট্রেডিংয়ে নিফটি প্যাকের প্রধান পিছিয়ে থাকা শেয়ারগুলির মধ্যে ছিল NTPC, ETERNAL, Max Healthcare Institute Cipla এবং InterGlobe Aviation। যাদের শেয়ার প্রাইস ২% পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।
২৯ অক্টোবর (বুধবার) ২,৫৪০,১৬ কোটি টাকা ভারতীয় মার্কেট থেকে অফলোড করার পর ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) বিদেশী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ৩,০৭৭.৫৯ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন এবং তারা টানা দ্বিতীয় সেশনে নেট বিক্রেতা ছিলেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের ক্রমাগত প্রত্যাহার বাজারের মনোভাবকে দুর্বল করে দিয়েছে। যা কেবল আজকের জন্য নয় আগামী দিনের জন্যেও ভারতীয় বাজারে বড় আঘাত করতে পারে। তবে এটিই একমাত্র কারণ নয়, আজকের পতনের পেছনে আরও যে কারণগুলি রয়েছে সেগুলি হল:
- এশিয়ান বাজারের দুর্বল ইঙ্গিতগুলিও দেশীয় ইক্যুইটির উপর প্রভাব ফেলেছে। সাংহাইয়ের SSE কম্পোজিট ইনডেক্স এবং হংকংয়ের হ্যাং সেং ইনডেক্স হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার মার্কিন মার্কেটগুলিও নেতিবাচক অবস্থানে লেনদেন শেষ করেছে। বৈশ্বিক বাজার আজ মিশ্র লেনদেন করছে। আর বৈশ্বিক ইঙ্গিত পাওয়ার জণ্যেও অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে।
- ৩০ অক্টোবর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের লি জিনপিং বাণিজ্য আলোচনা শেষ করেছেন, যেখানে উভয় লিডার বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে স্থায়িত্ব আনার এবং উত্তেজনা প্রশমিত করার বিষয় আলোচনা করছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকরা বলেছেন যে এই আলোচনার একটি বিস্তৃত চুক্তির অভাব আছে। আর এই অনিশ্চয়তা এবং দুই দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা ভারতের শেয়ার বাজারে পড়েছে।




