অনেক সময় অর্থের টান পড়লে বা হুট করে অর্থের দরকার পড়লে আমরা ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত ব্যাক্তিগত ঋণ বা পার্সোনাল লোনের সাহায্যে নিয়ে নিজেদের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করি। তবে ঋণ নেওয়া যতটা সহজ, সুদে – আসলে ঋণ অর্থ পরিশোধ ততটাই কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। আপনারা যদি ঋণ গ্রহনের সময় যদি বিশেষ কয়েকটি বিষয় নজরে রাখেন সেক্ষেত্রে ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে অনেকটা সুবিধা হবে। আর ঠিক কোন কোন বিষয় মাথায় রাখা আবশ্যক তা না জানলে ব্যাক্তিগত ঋণ সময় মতো পরিশোধ না করতে পারার কারণে ব্যাংককে মাত্রাতিরিক্ত সুদ দিতে হতে পারে।
ঋণ গ্রহণের সময় ব্যাংকের তরফ থেকে বেশ কিছু সুবিধা পান গ্রাহকরা। অবশ্য কার লোন, হোম লোন, বিজনেস লোন এবং পার্সোনাল লোনের ক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে অফার করা সুবিধাগুলি একরকম হয় না। বর্তমানে ব্যাক্তিগত ঋণ বা পার্সোনাল লোন নেওয়ার প্রবণতা গ্রাহকদের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই ক্ষেত্রে সুদের হার ও নমনীয় করেছে ব্যাংক। যে কারণে ঋনের ফাঁদেও পড়তে দেখা যাচ্ছে অনেক গ্রাহককে। আর্থিক বিশেষজ্ঞরা এই জন্যেই ঋণ গ্রহনের আগে বিশেষ কিছু দিকে নজর রাখার কথা বলেছে। আর সেগুলি হল:-
- ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার আগে আবেদনপত্র জমা দিতে হয়। সাথে ফর্ম ফিল আপের সময় ব্যাংকের নিয়ম কানুন এবং ঋন সংক্রান্ত যে সকল বিধি নিষেধ আছে সেগুলি বুঝে তবেই আবেদন পত্র জমা দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
- ঋণ আবেদন করার সময় অনেকেই বয়স কমিয়ে দেন ফলে বয়স থাকলে ঋণ শোধ না করে মারা গেলে, ঋণ শোধের ভার পড়ে পরিবারের ওপর। অর্থাৎ ঋণ পরিশোধ তো হয় না, উল্টে ঋণের বোঝা বাড়তে থাকে এবং এক জেনারেশন থেকে অন্য জেনারেশনে স্থানান্তরিত হয়ে যায়। তাই ঋণ নেওয়ার সময় পরিশোধের সময়সীমা বয়স বুঝে নির্বাচন করতে হয়।
- লোন নেওয়ার সময় আপনি কি কারণে লোন নিচ্ছেন তা নিশ্চিত করতে হবে। আর কাজে জেনো কোনো লোকসান না হয় সেটা নিশ্চিত করতে পারলেই ঋণ নেওয়া উচিত।

- চাকুরিজীবিদের লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে আর কত বছর তার চাকরি রয়েছে সেই বিষয়টি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক।
- নিজের উপার্জন বা বেতনের উপর নির্ভর করে ঋণের পরিমান এবং কিস্তি নির্ধারণ করা উচিত।
- ঋণ নিয়ে স্টক মার্কেট এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের আগে অবশ্যই ঋণ না নেওয়াই উচিত। কারণ ঋণ নেওয়ার আগে পরিশোধ করার বিষয়টি নিশ্চিত করে তবেই এগোতে হয়।
ঋণ নিয়ে শেয়ার বা মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মতো বিনিয়োগ বিকল্পে বিনিয়োগ না করে আপনারা সরকারি স্কিমে বিনিয়োগ করলে ভালো সুবিধা পেতে পারেন। এছাড়া এমন অনেক সরকারি স্কিম রয়েছে, যার SIP (Systematic Investment Plan) ২৫০ টাকায় শুরু হওয়ার সুযোগ থাকে। আর প্রত্যেক স্কিম বিনিয়োগকারীদের পৃথক পৃথক সুবিধা প্রদান করে থাকে। আর [সেই বিষয় জানতে এক্ষুনি লিংকে ক্লিক করুন:]




