Article By – সুনন্দা সেন

বিভিন্ন রাজ্যের নারী-কেন্দ্রিক ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বা DBI প্রকল্পের আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া বা SBI। এই প্রকল্পগুলি বিশেষ করে নির্বাচনের সময় মহিলাদের সরাসরি নগদ সুবিধা প্রদান করে যে সকল প্রকল্প, তারা রাজ্যের বাজেটের উপর বড় চাপ সৃষ্টি করতে পারে। প্রতিবেদন অনুসারে, আটটি রাজ্যে এই উদ্যোগগুলির মোট ব্যয় ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। যা এই রাজ্যগুলির রাজস্ব আয়ের ৩% থেকে ১১%। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পগুলি কল্যান ব্যয়ের মাধ্যমে আর্থিক দিকের ক্ষতি করছে। আর এগুলি অনেক ক্ষেত্রে নির্বাচনী কৌশল হিসেবেও কাজ করে।
যদিও কিছু রাজ্য, যেমন ওড়িশা, কর-বহির্ভুত রাজস্ব বেশি এবং ঋণের প্রয়োজন না থাকার কারণে এই কর্মসূচীগুলিতে অর্থায়নের জন্য আরও ভালো অবস্থানে রয়েছে। যেখানে অন্যরা উল্লেখযোগ্য আর্থিক ঝুঁকির সম্মুখীন। SBI-এর প্রতিবেদনে কর্ণাটকের গৃহলক্ষী প্রকল্পের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। যে প্রকল্পে রাজ্যের পরিবারের প্রধান মহিলাদের প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা করে বার্ষিক ২৮,৬০৮ কোটি টাকা খরচ করে। যা কর্ণাটকের রাজস্ব প্রাপ্তির ১১%। একইভাবে পশ্চিমবঙ্গের লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প। যাতে আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকা শ্রেণীর মহিলাদের মাসিক ১,০০০ টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। যা রাজ্যের রাজস্ব আয়ের ৬%।
SBI রিপোর্টে সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব সম্পর্কেও সতর্ক করা হয়েছে। যা ইঙ্গিত দেয় যে কেন্দ্রীয় সরকার অনুরূপ প্রকল্প চালু করার জন্য চাপের সম্মুখীন হতে পারে। এতে আরও বলা হয়েছে, বাজারের ঝামেলা সৃষ্টিকারী বেশ কিছু ভর্তুকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করার জন্য একটি সর্বজনীন আয় স্থানান্তর প্রকল্প (কেন্দ্র থেকে রাজ্যগুলিতে অনুদানের মিল) গ্রহণ করা মূল্যবান হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য কল্যাণমূলক ব্যয়ের একটি সামগ্রিক মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।




