Article By – সুনন্দা সেন

বিশ্বব্যাংক ২০২৬ সালের জন্য বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতি একাধিক ভূ-রাজনৈতিক চাপ, উচ্চ সুদের হার ও বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যেও উল্লেখযোগ্য স্থিতিশীলতা বা রেজিলিয়েন্স দেখিয়েছে। এই কারণেই আগের তুলনায় অর্থনৈতিক আউটলুক কিছুটা উন্নত করা হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের মতে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার আগের অনুমানের তুলনায় বেশি হতে পারে। বিশেষ করে মার্কিন অর্থনীতির শক্তিশালী পারফর্ম্যান্স শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা (Labour market Stability) এবং ভোক্তা ব্যয়ের ধারাবাহিকতা বিশ্ব অর্থনীতিকে বড় ধাক্কা থেকে বাঁড়িয়েছে।
উন্নত দেশগুলির মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে জানিয়েছে, এই স্থিতিশীলতার সত্ত্বেও ঝুঁকি এখনও পুরোপুরি কাটেনি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ট্যারিফ ও নিষেধাজ্ঞা, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং উচ্চ ঋণের বোঝা অনেক দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশগুলির ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এখনও অসম এবং ধীর গতির হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বিশ্ব অর্থনীতি এখনই বড় মন্দার পথে নয় এবং তা চাপের মধ্যেও টিকে থাকার ক্ষমতা দেখাচ্ছে।
তবে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি অনেকটাই নির্ভর করবে বৈশ্বিক সহযোগিতা, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং রিফর্ম স্পিডের উপর। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বহু উন্নয়নশীল দেশে মাথাপিছু আয় এখনও কোভিড-পূর্বস্তরে ফেরেনি। এর ফলে দারিদ্র্যতা হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক ব্যয় বাড়ানো কঠিন হয়ে উঠেছে। বিশ্ব ব্যাংকের মতে, দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলো সংস্কার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে জোর দেওয়া জরুরি। উল্লেখ্য, SGB-র মোট মেয়াদ সাধারণত ৮ বছর। তবে ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর নির্দিষ্ট তারিখে প্রিম্যাচিউর রিডেম্পশনের সুযোগ দেওয়া হয়। যারা এখনও রিডেম্পশন করেননি, তারা চাইলে মেয়াদ শেষে আরও বেশি রিটার্নের আশায় বিনিয়োগ ধরে রাখতে পারেন। যদিও তা তখনকার সোনার বাজারদরের উপর নির্ভর করবে।




