Article By – সুনন্দা সেন

ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুসারে আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা গৌতম আদানি এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি অভিজাত ১০০ বিলিয়ন ডলারের এলিট ক্লাব থেকে বাদ পড়েছেন। আর এটি এমন সময় হয়েছে, যখন ভারতীয় দুই শিল্পপতি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। যার দরুণ তাদের ব্যবসারে পাশাপাশি ব্যক্তিগত সম্পদেও ঘাটতি আসতে পারে। আম্বানির এনার্জি এবং রিটেল ব্যবসাগুলি কম পারফরম্যান্স করছে এবং ডেবট নিয়েও বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ প্রকাশ পাচ্ছে। অন্যদিকে আদানি রেগুলেটরির বা নিয়ন্ত্রক সমস্যায় জড়িয়ে পড়েছে। কোম্পানির বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়া অভিযোগ উঠেছে।
মার্জিন আদালত গৌতম আদানি ও সাগর আদানি সহ একাধিক দায়িত্বে থাকা ব্যবস্থাপদের বিরুদ্ধে ভারতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ চুক্তি সুরক্ষিত করার জন্য ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনায় অংশ এবং মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার জন্য অভিযুক্ত করেছে। যারপর থেকে কোম্পানিটি সাফার করছে। এর আগে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের অভিযোগের পর আদানি গ্রুপ বিপুল পরিমাণে সম্পদ হারায়। তারপরে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার সাথে পুনরায় শক্তিশালী বৃদ্ধি দেখে। জুন মাসে গৌতম আদানির মোট সম্পদ ১২২.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে ছিল। মার্কিন আদালতের অভিযোগের কারণে তিনি বিপুল সম্পদ হারিয়েছেন বর্তমানে।
অন্যদিকে ব্লুমবার্গের মতে, জুলাই মাসে মুকেশ আম্বানির মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১২০.৮ বিলিয়ন ডলার। আর বর্তমানে দেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, রিটেল ব্র্যান্ড এবং পুনণবীকরণযোগ্য শক্তির উপর ফোকাস করার জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয় আলোচনা করছে। তবে রিটেল ব্যবসার বিক্রি ও মুনাফা বৃদ্ধির গতি কমে গেছে। বেঞ্চমার্ক BSE সেনসেক্সের ১১.৯৩% বৃদ্ধির বিপরীতে ২০২৪ সালে রিলায়েন্সের শেয়ার ৩.৪৩% কমেছে।




