Article By – সুনন্দা সেন

দেশের পেট্রোল ও ডিজেলের দাম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ কোটাক ইনস্টিটিউশনাল ইক্যুইটিস একটি রিপোর্টে জানিয়েছে যে নির্বাচনের পর জ্বালানি বা ফুয়েল প্রাইজে বড় ধরনের বৃদ্ধি দেখা যেতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারে এই ধরনের দাবিকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে, দাম বাড়ানোর কোনো প্রস্তাব বা পরিকল্পনা আপাতত নেই। কোটাকের রিপোর্টে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচা তেলের দাম অনেকটা বেড়ে গেছে এবং বর্তমানে ব্যারেল প্রতি প্রায় ১২০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, যদি এই পরিস্থিতি চলতে থাকে, তাহলে নির্বাচনের পর অর্থাৎ এপ্রিল, ২০২৬ -এর শেষের দিকে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম লিটার প্রতি প্রায় ২৫ টাকা থেকে ২৮ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার এই রিপোর্টকে স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে, ফুয়েল প্রাইস ক্রমভাবে বৃদ্ধি করার বিষয়ে সরকারের কোনো প্রস্তাব নেই এবং এই ধরনের খবর সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে সেই বিষয়টি মাথায় রেখে জ্বালানি দামের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা হচ্ছে।
বর্তমানে পরিস্থিতি এমন যে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেও ভারতে রিটেইল প্রাইজে কোনো বড় পরিবর্তন করা হয়নি। সরকার সাধারণত কৌশলগতভাবে ভর্তুকি, ট্যাক্স এডজাস্টমেন্ট এবং অন্যান্য নীতি ব্যবহার করে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে থাকে। একদিকে বাজার বিশ্লেষকরা ভবিষ্যতে দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা বলছেন, অন্যদিকে সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে আপাতত পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেই। ফলে বিষয়টি নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো পরিবর্তন হয়নি, বরং এটি মূলত অনুমানভিত্তিক রিপোর্ট ও সরকারি অবস্থানের মধ্যে পার্থক্যকে সামনে এনেছে।




