Article By – সুনন্দা সেন

ইনফরমা কানেক্ট একাডেমির একটি প্রতিবেদন অনুসারে, টেসলা, স্পেসএক্স এবং এক্স (আগে যা টুইটার ছিলো) এর উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নার হওয়ার পথে রয়েছেন ৷ “ট্রিলিয়ন ডলার ক্লাব ২০২৪” শিরোনামের প্রতিবেদনটি বিষয়টি হাইলাইট করেছে। মাস্কের গড় বার্ষিক সম্পদ বৃদ্ধির হার ১১০%। এছাড়া ২৫১ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তি হওয়ায় ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্সের শীর্ষে পৌঁছেছেন তিনি। আরও জানা যাচ্ছে যে আগামী বছরগুলিতে একচেটিয়া ট্রিলয়নার ক্লাবে যোগদানের পথে আরও বেশ কিছু বিলিয়নার। সেই তালিকার আরও একটি নাম হলো ভারতের ধরকুবের গৌতম আদানি।
প্রতিবেদন অনুসারে, গৌতম আদানি, ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি, ২০২৮ সালের মধ্যে ট্রিলিয়নার স্ট্যাটাস অর্জন করতে পারে। আদানি গ্রুপের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে “বিদ্যুৎ উৎপাদন, ট্রান্সমিশন এবং ডিস্ট্রিবিউশন,” সেইসাথে “বন্দর ও টার্মিনাল, কৃষি ও সাধারণ লজিস্টিকস, শিল্প উদ্যান।” এছাড়াও”প্রতিরক্ষা এবং মহাকাশ ইনকিউবেশন,” “বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা” এবং ওয়াটার ট্রিটমেন্টেও উদ্যোগী। উপরন্তু, গ্রুপটি “রাস্তা ও রেল নেটওয়ার্ক” “ডেটা সেন্টার,” “ফার্মিং,” “খাদ্য উৎপাদন” এবং “রিয়েল এস্টেট” এর সাথেও জড়িত। আদানির নেতৃত্বে, আদানি গোষ্ঠীর স্বতন্ত্র সহযোগী সংস্থাগুলি বহু-বিলিয়ন মার্কেট ক্যাপ মূল্যায়ন অর্জন করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গৌতম আদানির ব্যক্তিগত সম্পত্তির পরিমাণ ৮৪ বিলিয়ন ডলার। সম্পত্তির গড় বৃদ্ধির হার বার্ষিক ১২২.৮৬%।
Nvidia-এর সিইও জেনসেন হুয়াং এবং ইন্দোনেশিয়ার ব্যবসায়িক টাইকুন প্রজোগো পাঙ্গেস্তুও একই সময়ে এই মাইলফলক ছুঁতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ফরাসি ব্যবসায়ী বার্নার্ড আরনাল্ট ২০৩০ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁতে পারেন। এছাড়া ২০৫০ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন-ডলারের সম্পদ অর্জনের জন্য অনুমান করা ৩০ জনবিলিয়নেয়ারদের মধ্যে তিনজন মহিলাও রয়েছেন। এই তিন মহিলার মধ্যে অন্যতম নাম হলো, ইউজিন শুলারের নাতনি ফ্রাঙ্কোইস বেটেনকোর্ট মেয়ার্স। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৯৯.৫ বিলিয়ন ডলার।




