Article By – সুনন্দা সেন

ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবা খাত বা healthcare Sector ২০২৮ সালের মধ্যে ৩২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। গ্রেট প্লেস টু ওয়ার্ক (Great Place To Work) তার সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলেছে, স্বাস্থ্য পরিষেবার সাথে দেশটি ফার্মাসিউটিক্যালস এবং বায়োটেকনোলজি সেক্টরগুলির উপর বিশেষ গ্রোথ দেখতে পাবে। প্রতিবেদনে আরও বলা রয়েছে যে ২০৩০ সালের মধ্যে ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টর ১৩০ বিলিয়ন ডলার এবং বায়োটেকনোলজি একই সময়ের মধ্যে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যে পৌঁছাবে। গত কয়েক বছর ধরে এই তিনটি সেক্টর বড় পরিবর্তনে মধ্য দিয়ে গেছে।
শিল্পের প্রবণতা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে ‘ভারতের গ্রট প্লেস টু ওয়ার্ক’- এর নির্বাহী পরিচালক (executive director) ও CEO বলবীর সিং বলেছেন, কোভিডের পর থেকে স্বাস্থ্য সেক্টরের ম্যারাথন দৌড় অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা AI বিনিয়োগ ২০২৫ সালের মধ্যে ১.৬ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়ে ফেলবে বলেই আশা করা হচ্ছে। ভারত কেবল বৈজ্ঞানিক বিষয়ক কার্যক্রমে অগ্রগতি দেখছে না, পাশাপাশি প্রতিভা খুঁজে বের করার সাথে গতিশীল কর্মক্ষেত্রও তৈরী করছে। দ্যা গ্রট প্লেস টু ওয়ার্কের রিপোর্ট অনুসারে, স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতের ফর্মগুলি AI-এর মতো প্রযুক্তিতে অগ্রগতির সাথে কর্মশক্তির লক্ষ্যগুলিকে সারিবদ্ধ করছে।
তবে দেশের নির্দিষ্ট সেক্টর বা খাতগুলি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই যেমন ধরুণ – ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা সংস্থাগুলি দক্ষতা বাড়াতে প্রযুক্তি এবং ফ্লেক্সিবেল ওয়ার্ক মডেলগুলিকে কাজে লাগানোর চেষ্টায় রয়েছে। আর মূল উন্নতির পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে দক্ষতা ভিত্তিক নিয়োগ এবং কম প্রতিনিধিত্ব করা অঞ্চল থেকে ন্যয়সঙ্গত নিয়োগ। ই-লার্নিং এবং বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ সহ অবিচ্ছিন্ন শেখার সুযোগগুলি যে শিল্পের বা সেক্টরের টেকসই বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তা অনেকে ভূলে গেছে। যা চ্যালেঞ্জ হিসাবে সামনে এসেছে এবং গ্রেট প্লেস টু ওয়ার্ক বিষয়গুলি উল্লেখ করেছে রিপোর্টে।




