Article By – সুনন্দা সেন

ভারত-যুক্তরাজ্য CETA (Comprehensive Economic and Trade Agreement) কার্যকর হওয়ার পর আরও বেশি ব্রিটিশ ব্র্যান্ড ভারতের বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশেষ করে কসমেটিক্স, স্কিনকেয়ার, প্রিমিয়াম ফুড, ঘড়ি ও লাইফস্টাইল প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে নতুন ব্র্যান্ডের অ্যারাইভাল বাড়বে। তবে ক্রেতাদের জন্য সুখবর থাকলেও এখনই বড় ধরনের মূল্যছাড়ের আশা করা ঠিক হবে না। আর এর প্রধান কারণ গত এক বছরে রুপির তুলনায় ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, ফলে আমদানির খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনায় শিপিং ও লজিস্টিকস ব্যয় বেড়েছে।
এছাড়া অনেক আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পণ্যের দাম নির্ধারণের শুধুমাত্র আমদানি শুল্ক নয়, পরিবহন, ওয়্যারহাউস প্রোডাক্ট, GST এবং ডিস্ট্রিবিউশন খরচও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই চুক্তির সুফল পুরোপুরি বাজারে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে দীর্ঘমেয়াদের ক্ষেত্রে ছবিটা ভিন্ন হতে পারে। আগামী ১০ বছরে ধাপে ধাপে শুল্ক আরও কমবে এবং ব্রিটিশ কোম্পানিগুলি ভারতে তাদের উপস্থিতি বাড়াবে। এতে ভারতীয় গ্রাহকরা আরও বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও উন্নত মানের পণ্যের নাগাল পাবেন।
অন্যদিকে দেশীয় কোম্পানিগুলিও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পণ্যের মান ও ইনোভেশনে আরও জোর দেবে। ভারত-যুক্তরাজ্য বাণিজ্য চুক্তি শুধু ব্রিটিশ ব্র্যান্ডের জন্য নয়, ভারতের রিটেইল, ই-কমার্স এবং ভোক্তা পণ্য শিল্প (Consumer good Industry)-এর জন্যও একটি বড় সুযোগ। যদিও স্বল্পমেয়াদে দাম কমার সম্ভাবনা সীমিত, তবে দীর্ঘমীয়াদে এই চুক্তি বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াবে, ভোক্তাদের জন্য আরও বেশি বিকল্প জেনারেট করবে এবং ভারতের রিটেইল বাজারকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারে।




