Article By – সুনন্দা সেন

বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য উত্তেজনা হ্রাসের মধ্যে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের নতুন করে ভারতীয় শেয়ার বাজারে আগমন ঘটেছে। যার ফলে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হওয়া তীব্র মার্কেট উত্থানের পর ভারতীয় বিলিয়নেয়ারদের সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা মুকেশ আম্বানির সম্পদ আবারও ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ব্লুমবার্গের তথ্য বিশ্লেষণ করলে জানা যায় যে এই সময়ের মধ্যে আম্বানি সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন। তার মোট সম্পদের পরিমাণ মার্চের সর্বনিম্ন ৮১ বিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার বেড়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হয়েছে। আর এই বৃদ্ধি তাকে বিশ্বের শীর্ষধনী ব্যক্তির তালিকায় ১৬তম স্থানে জায়গা করে নিতে সাহায্য করেছে।
ভারতীয় শেয়ার বাজারের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের পর ৪ মার্চ, ২০২৫-এ তার সম্পদ কমে ৮১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছেল। তবে এপ্রিল-মার্চের সর্বনিম্ন স্তর থেকে রিলায়েন্স এবং জিও ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের শেয়ার দর যথাক্রমে ২৫% এবং ২৯% পেয়েছে। আর এই বৃদ্ধি আম্বানির পুনরুদ্ধারের অনেকটারই নেতৃত্ব দিয়েছে। তবে বর্তমানের সম্পদের পরিমাণ ৮ জুলাই, ২০২৪-এ রেকর্ডকৃত ১২০.৮ বিলিয়ন ডলারের সর্বোচ্চ রেকর্ড সম্পদের চেয়ে প্রায় ২০% কম রয়েছে।
কেবল মুকেশ আম্বানি নয়, ভারতের দ্বিতীয় ধনী ব্যাক্তি গৌতম আম্বানির উল্লেখযোগ্যভাবে লাভ হয়েছে। এই সময়ে তাঁর সম্পদ ১৪.৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বেড়ে ৭৭.৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই উত্থানের সত্ত্বেও আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ এখনও ৩ জুন, ২০২৪-এর সর্বোচ্চ রেকর্ড সম্পদ ১২০৪ বিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় ৫৭% কম। এছাড়াও সান ফার্মাসিউটিক্যালর দিলীপ সাংঘভি এবং এয়ারটেলের সুনীল মিত্তলের সম্পদ ৪.৯ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ২৮.৮ বিলিয়ন ডলার এবং ২৭.৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর সাবিত্রী জিন্দালের এবং শিব নাদারের মোট সম্পদের পরিমাণ ৪.৬ বিলিয়ন ডলার এবং ৪.৫ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।




