Article By – সুনন্দা সেন

আজ (২১মে) তেলের দাম ১%-এরও বেশি বেড়েছে। এর মাঝে খবর এলো যে ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলিতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যার দরুন মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য বিঘ্ন নিয়ে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। যা বৈশ্বিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ তেল উৎপাদনকারী অঞ্চল। এছাড়া বিশ্বব্যাপী তেল পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে ইরান প্রতিশোধ নিতে পারে। এমন সম্ভাবনার কারণে বাজারের আশঙ্কা আরও তিব্র হয়ে উঠেছে। সারা বিশ্বের প্রয়োজনীয় তেলের প্রায় ২০% এই সংকীর্ণ জলপথ (Hormuz) দিয়ে সরবরাহ হয়। যার মধ্যে সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) এবং ইরাকের রপ্তানিও অন্তর্ভুক্ত।
এমন উত্তেজিত পরিবেশে জুলাই মাসে ডেলিভারির জন্য ব্রেন্ট ক্রড ফিউচারের দাম ৮৬ সেন্ট বা ১.৩২% বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৬৬.২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। যেখানে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রড ফিউচারের দাম ৯০ সেন্ট বা ১.৪৫% বেড়ে ৬২.৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর এই বৃদ্ধি এশিয়ার মার্কেটগুলির লেনদেনের প্রথম দিকে লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করার সাথে বলছেন যে ওপেকের (OPEC’s) তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী ইরানের উপর ইসরায়েল যেকোনো হামলা তেল প্রবাহকে মারাত্মকভাবে ব্যহত করতে পারে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর মার্কিন ক্রড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ২ ডলারের বেশি এবং ব্রেন্ট ফিউচারের দাম ১ ডলারের বেশি বেড়েছে।
ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, কিছু সূচক তেল সরবরাহে সামান্য উন্নতির ইঙ্গিত দেয়। আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট (API)-এর তথ্য অনুসারে, ১৬ মে শেষ হওয়া সপ্তাহে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মজুদ ২.৫ মিলিয়ন ব্যারেল বেড়েছে। তবে, একই সময়ে পেট্রোল এবং ডিস্টিলেট মজুদ কমেছে। বিনিয়োগকারীরা মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (EIA) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছেন। যা বুধবারের পরে প্রকাশিত হবে, দেশীয় সরবরাহের প্রবণতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে।




