Article By – সুনন্দা সেন

ক্রিসিল মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালিটিক্সের (CRISIL) অনুমান অনুসারে, বাড়তে থাকা প্রাকৃতিক রাবারের দাম গত এক দশকের বেশি সময় ধরে টায়ার নির্মাতাদের লাভের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। টায়ার নির্মাতারা একটি রাফ সময়ের দিকে এগিয়ে চলেছে। চলতি অর্থবছর (২০২৪-২৫)-এর প্রথম পাঁচ মাসে প্রাকৃতিক রাবারের দাম ৩৩%-এরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। উচ্চ চাহিদা এবং সরবরাহের সংকট টায়ার নির্মাতাদের লাভজনকতাকে চাপ দিতে পারে। এমনটাই উল্লেখ রয়েছে CRISIL-এর বিবৃতিতে।
আগস্ট মাসে প্রাকৃতিক রাবারের অভ্যন্তরীণ মূল্য ছিল প্রতি কেজিতে ২৩৮ টাকা। যা গত এক দশকের দামের প্রবণতা থেকে অনেকটা বেশি। CRISIL-এর মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিরেক্টর রিসার্চ পুষণ শর্মা বলেছেন, ২০২১ থেকে ২০২৩ অর্তবছরের মধ্যে বিশ্বব্যাপী রাবার উৎপাদন ৩৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে চাহইদা ৪০%-এ প্রসারিত হয়েছে। ফলে সরবরাহের সংকটের সাথে প্রাকৃতিক রাবারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। CRISIL-এর অ্যাসোসিয়েন্ট ডিরেক্টর রিসার্চ মোহিত আদনানি বলেছেন, বাড়তে থাকা দামের কারণে টায়ার নির্মাতাদের লাভের মার্জিন ২০২৫ অর্থবছরের পরেও প্রভাবিত হবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন যে ২০২৪ সালে প্রাকৃতিক রাবারের বাজারের ঘাটতি তিনগুণ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। আর সেই সকল বিষয়টি ছোট ট্যাপযোগ্য এলাকা এবং কম ফলন, চাহিদার সম্ভাব্য বৃদ্ধির সাথে সরবরাহের দিকটি তুলনা করার পর জানা যাচ্ছে। শেষবার ২০১১ সালে প্রাকৃতিক রাবারের দাম কেজি প্রতি ২০০ টাকা ছিল। যা বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকট আর US ফেডারেল রিজার্ভ এবং অন্যান্য দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বৃদ্ধির কারণে ঘটে। তবে পরে সবকিছউ সুবিধাজনক অবস্থায় ফিরে আসায় দামের অবস্থান সঠিক স্থানে নেমে আসে।
২০০৮ তেকে ২০১১ সালের মধ্যে রাবারের দামের বার্ষিক বৃদ্ধির চক্রবৃদ্ধির হার ১০১% ছিল। তারপর তিনবছর উচ্চ দামের পরে এক দশক ধরে প্রাকৃতিক রাবারের দাম গড়ে প্রতি কেঝি ১৫০ টাকার নীচে ছিল। এযে ২০২৩ সালের শেষ থেকে আবার দাম বেড়েছে। বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক রাবারের কঠোর সরবরাহ টায়ার শিল্পে উপর প্রভাব ফেলেছে।




