Article By – সুনন্দা সেন

কোকা-কোলা (Coca-Cola) এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পণ্য বা প্রোডাক্ট ডাইফারসিফাইং করার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। কারণ কোম্পানির মূল সোডা ব্যবসা হ্রাস পাচ্ছে। সম্প্রতিকালে স্বাস্থ্যগত ভাবে সচেতন হওয়ার যুগে এমন পণ্যের ডিমান্ড অনেকটা কমেছে। বিশ্বের সেরা সংবাদদাতা CNN-এর প্রতিবেদন অনুসারে, কোকা-কোলার সবচেয়ে বড় পদক্ষেপগুলির মধ্যে একটি ছিল ২০১২ সালে পাইকারি ডেয়ারি উৎপাদনকারী সিলেক্ট মিল্ক প্রোডিউসারদের সাথে যৌথ উদ্যোগ ফেয়ারলাইফ চালু করা।
২০২০ সালে ফেরার লাইফের মতো ব্র্যান্ড ৯৮০ মিলিয়ন ডলারে সম্পূর্ণরূপে অধিগ্রহণ করে কোকা-কোলা। ২০২২ সালে ডেয়ারি উৎপাদনকারী সংস্থা ঘোষণা করে যে তার বিক্রয় ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আমেরিকানরা ফেয়ারলাইফের আল্ট্রা-ফিল্টার সিস্টেমের প্রতি আকৃষ্ট ছিল। যা দুধ থেকে ল্যাকটোজ এবং চিনি উৎপাদন করে। কিন্তু এর প্রোটিন কন্টেটের পরিমাণ দ্বিগুণ করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (US) খাদ্যের দাম বৃদ্ধি এবং ব্যয় হ্রাসের সত্ত্বেও এটি সম্ভব হয়েছে। তবে-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোডাক্ট হল কোর পাওয়ার প্রোটিন শেক ব্র্যান্ড। যার খুববেশি প্রতিযোগিতা নেই। আর প্রতিবেদন অনুসারে, অনেক গ্রোসারি শপে এটি এখনও একটি জনপ্রিয় প্রোডাক্ট।
বেভারেজ ডাইকেস্টের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রোটিন শেকের মার্কেট ৬ বিলিয়ন ডলারে। তবে এখনও কোকা-কোলার মোট বিক্রির সিংহভাগই সোডা দিয়ে তৈরি প্রোডাক্ট থেকে আসে। আর তার প্রধান প্রতিযোগী হল পেপসি। এদিকে আরও জানা যাচ্ছে যে ফেয়ার লাইফ এবং কোকা-কোলা ২০২২ সালের একটি ক্লাস অ্যাকশন মামলায় ২১ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতায় সম্মত হয়েছিল। কারণ তাদের উপর গরুর প্রতি অমানবিক আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছিল।




