Article By – সুনন্দা সেন

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সরকার জানিয়েছে যে, প্রোডাক্ট লিংকড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্পের অধীনে ১৪টি সেক্টরের জন্য এই পর্যন্ত ৮০৬টি আবেদন অনুমোদিত হয়েছে। ২০২১ সালে ভারতের উৎপাদন ক্ষমতা এবং রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য টেলিকম, ইলেকট্রনিক্স, ফার্মা, টেক্সটাইল এবং অটো সহ ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের জন্য ১.৯৭ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছিল। লোকসভায় লিখিত জবাবে বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ জানিয়েছেন সম্পূর্ণ বিষয়টি।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ১৪টি খাতে ১.৭৬ লক্ষ কোটি টাকার প্রকৃত বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হয়েছে। যার ফলে ১৬.৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি উৎপাদন (ইনক্রিমেন্টাল প্রোডাকশন)/বিক্রয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ১২ লক্ষেরও বেশি কর্মসংস্থানের (প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান) সৃষ্টি হয়েছে। প্রসাদ আরও বলেন, ওষুধ ইন্ডাস্ট্রির খাতে মোট ২.৬৬ লক্ষ কোটি টাকার বিক্রয় হয়েছে। যার মধ্যে এই প্রকল্পের প্রথম তিন বছরে অর্জিত ১.৭০ লক্ষ কোটি টাকার রপ্তানিও রয়েছে। আর এই স্কিমটি ভারতকে নেট আমদানিকারক (১,৯৩০ কোটি টাকা) থেকে বাল্ক ওষুধের (২,২৮০ কোটি টাকা) নিট রপ্তানিকারক হতে সাহায্য করেছে।
মোবাইল সেগমেন্টে মূল্যের দিক থেকে উৎপাদন প্রায় ১৪৬% বৃদ্ধি পেয়ে ২০২০-২১ সালের ২,১৩,৭৭৩ কোটি টাকা থেকে ২০২৪-২৫ সালে ৫,২৫,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। পাশাপশি মূল্যের দিক থেকে মোবাইল ফোনের রপ্তানি ২০২০-২১ সালে ২২,৮৭০ কোটি টাকা থেকে প্রায় ৭৭৫% বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৪-২৫ সালে ২,০০,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। মন্ত্রী জানান যে, ২৪ জুন,২০২৫ পর্যন্ত PLI স্কিমের অধীনে ১২টি সেক্টরের জন্য ২১,৫৩৪ কোটি টাকার ক্রমবর্ধমান প্রণোদনা বা ইনসেনটিভ বিতরণ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে বৃহৎ আকারের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন, IT হার্ডওয়্যার, বাল্ক ওষুধ, চিকিৎসা ডিভাইস এবং ফার্মাসিউটিক্যালস।




